ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

একটি বদলির জন্য এক কোটি টাকার ঘুষের প্রস্তাব পেয়েছিলাম”— শিক্ষা উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫ ২৪২ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি বড় পদে বদলির জন্য এক কোটি টাকার ঘুষের প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

বুধবার (৪ জুন) আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষা খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে এ কথা জানান।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলির জন্য একজন প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবী তদবির করেছিলেন। যাচাই করে দেখা যায়, যাঁর জন্য তদবির করা হয়েছিল, তিনি সেই পদে থাকার উপযুক্ত নন। ফলে তাকে আমরা বিবেচনায় নিইনি। পরে অন্য মাধ্যমে আমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরিমাণও বলা হয়—এক কোটি টাকা। প্রস্তাবদাতা আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমেই যোগাযোগ করেছিলেন, যিনি নিজেও একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনা কেবল আমার সঙ্গে ঘটেনি, আমার সহকর্মীরাও যেন নৈতিক অবস্থানে অটল থাকেন, সেই বার্তাই দিতে চাই। আমি দায়িত্বে থাকাকালে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করব না।”

দুর্নীতির বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমার কাছে প্রতিদিন যে পত্রিকাগুলোর কাটিং আসে, তার বেশিরভাগেই থাকে দুর্নীতির খবর। তবে সব তথ্য যাচাই করার সক্ষমতা সব সময় হাতে থাকে না। তারপরও যেখানে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসে, সেখানে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরসহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একটি বদলির জন্য এক কোটি টাকার ঘুষের প্রস্তাব পেয়েছিলাম”— শিক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

একটি বড় পদে বদলির জন্য এক কোটি টাকার ঘুষের প্রস্তাব পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।

বুধবার (৪ জুন) আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা ও শিক্ষা খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে এ কথা জানান।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বদলির জন্য একজন প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবী তদবির করেছিলেন। যাচাই করে দেখা যায়, যাঁর জন্য তদবির করা হয়েছিল, তিনি সেই পদে থাকার উপযুক্ত নন। ফলে তাকে আমরা বিবেচনায় নিইনি। পরে অন্য মাধ্যমে আমার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরিমাণও বলা হয়—এক কোটি টাকা। প্রস্তাবদাতা আমার পরিচিত একজনের মাধ্যমেই যোগাযোগ করেছিলেন, যিনি নিজেও একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।”

তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনা কেবল আমার সঙ্গে ঘটেনি, আমার সহকর্মীরাও যেন নৈতিক অবস্থানে অটল থাকেন, সেই বার্তাই দিতে চাই। আমি দায়িত্বে থাকাকালে কোনো ধরনের দুর্নীতি বরদাশত করব না।”

দুর্নীতির বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, “আমার কাছে প্রতিদিন যে পত্রিকাগুলোর কাটিং আসে, তার বেশিরভাগেই থাকে দুর্নীতির খবর। তবে সব তথ্য যাচাই করার সক্ষমতা সব সময় হাতে থাকে না। তারপরও যেখানে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসে, সেখানে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের অবস্থান স্পষ্ট—দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স।”

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরসহ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।