ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর বড় পারুলিয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশ – যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিশাল গণমিছিল: দিঘলিয়ায় আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী প্রচারণা সম্পন্ন বরগুনার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচনি শেষ জনসভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কাজে সারাদেশে নারী হেনস্তার প্রতিবাদে রামপালে বিক্ষোভ মিছিল সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না: নুরুল ইসলাম মনি বিএনপি নির্বাচিত হলে দিল্লির থেকেও বরগুনা আওয়ামী লীগ ভালো থাকবেন রাজাপুর–কাঠালিয়া আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইশতেহার, উন্নয়নের নতুন প্রতিশ্রুতি

আদালত বিএনপির সেকেন্ড হোম : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

জে বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আদালত বিএনপির সেকেন্ড হোম হয়ে গেছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অনেক মামলা ছিল, সব প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ তাঁকে প্রায়ই আদালতে যেতে হচ্ছে।

 

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পেশাজীবী জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন।

 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আদালত এখন আমাদের সেকেন্ড হোম হয়ে গেছে। আমাদের প্রায়ই কোর্টে যেতে হয়। প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধেও অনেক মামলা ছিল, আমরা তখন তাঁর পক্ষে প্রতিবাদ করেছিলাম। এখন তিনি সব মামলা প্রত্যাহার করে চেয়ারে বসে আছেন, অথচ আমি গয়েশ্বর এখনো কোর্টে হাজিরা কেন দিচ্ছি ?’ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি কখনোই প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না, যার ফলে অনেকে মনে করেন, বিএনপির বিরুদ্ধে বলা ও লেখা সবচেয়ে নিরাপদ। আগে সাংবাদিকেরা বলতেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই। তাই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কিছু লেখা যেত না, কিন্তু বিএনপির বিরুদ্ধে নানা কথা লেখা হতো।’ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মানেই সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নয় বলে মনে করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রের প্রকৃত স্বাধীনতা মালিক ও প্রকাশকের। কিছু মিডিয়ার মালিক সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে চলেন, ফলে তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে নিউজ করেন না। আবার অনেক মিডিয়ার অর্থের অভাব না থাকলেও সাংবাদিকদের ঠিকমতো বেতন দেওয়া হয় না।’ নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘৫ আগস্ট যদি হাসিনা পালিয়ে পদত্যাগ না করতেন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতো। এখন নির্বাচন কমিশনের দেড়-দুই বছর লাগছে কেন? আমরা কিসের প্রস্তুতির জন্য অপেক্ষা করছি ?’ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, পেশাজীবী জোটের সমন্বয়কারী হুমায়ুন কবির ব্যাপারী, প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজী প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আদালত বিএনপির সেকেন্ড হোম : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

আদালত বিএনপির সেকেন্ড হোম হয়ে গেছে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অনেক মামলা ছিল, সব প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ তাঁকে প্রায়ই আদালতে যেতে হচ্ছে।

 

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ পেশাজীবী জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কথা বলেন।

 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আদালত এখন আমাদের সেকেন্ড হোম হয়ে গেছে। আমাদের প্রায়ই কোর্টে যেতে হয়। প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধেও অনেক মামলা ছিল, আমরা তখন তাঁর পক্ষে প্রতিবাদ করেছিলাম। এখন তিনি সব মামলা প্রত্যাহার করে চেয়ারে বসে আছেন, অথচ আমি গয়েশ্বর এখনো কোর্টে হাজিরা কেন দিচ্ছি ?’ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপি কখনোই প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না, যার ফলে অনেকে মনে করেন, বিএনপির বিরুদ্ধে বলা ও লেখা সবচেয়ে নিরাপদ। আগে সাংবাদিকেরা বলতেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নেই। তাই আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কিছু লেখা যেত না, কিন্তু বিএনপির বিরুদ্ধে নানা কথা লেখা হতো।’ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মানেই সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নয় বলে মনে করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্রের প্রকৃত স্বাধীনতা মালিক ও প্রকাশকের। কিছু মিডিয়ার মালিক সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করে চলেন, ফলে তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে নিউজ করেন না। আবার অনেক মিডিয়ার অর্থের অভাব না থাকলেও সাংবাদিকদের ঠিকমতো বেতন দেওয়া হয় না।’ নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘৫ আগস্ট যদি হাসিনা পালিয়ে পদত্যাগ না করতেন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হতো। এখন নির্বাচন কমিশনের দেড়-দুই বছর লাগছে কেন? আমরা কিসের প্রস্তুতির জন্য অপেক্ষা করছি ?’ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, পেশাজীবী জোটের সমন্বয়কারী হুমায়ুন কবির ব্যাপারী, প্রজন্ম একাডেমির সভাপতি কালাম ফয়েজী প্রমুখ।