৭০ বছরের বৃদ্ধ মিন্টু মৃধার বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা, বাদী রিমি কারাগারে
- আপডেট সময় : ০২:৩০:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

হাসিবুর রহমান
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি গ্রামের ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাওসার হোসেন ওরফে মিন্টু মৃধার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ২৮ নভেম্বর নলছিটি থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছিলো একই উপজেলার মো. জাকির হোসেনের মেয়ে এবং মো. মামুন হাওলাদার (সি.এন.এন মামুন) এর স্ত্রী।
এজাহারে বাদি লিখেছিলেন, ‘আমার স্বামী মামুনের সাথে দাম্পত্য কলহের সমস্যা সমাধান এবং একটি কাজের আশায় বেশ কয়েকবার মিন্টু মৃধার কাছে যাই। এ থেকেই তার সাথে আমার সু-সাথে সম্পর্ক গড়েওঠে। গত ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর সকালে আমার ঘরে প্রবেশ করে আমাকে ধর্ষন করেন।’
এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামী কাওসার হোসেন ওরফে মিন্টু মৃধাকে বেশ কিছুদিন থাকতে হয়েছে কারাগারে। এক পর্যায়ে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত হয় বৃদ্ধ মিন্টু মৃধা।
মামলায় বর্ণিত ধর্ষণের ঘটনার সময় মিন্টু মৃধা ঝালকাঠি আদালতে ও বিভিন্ন অফিসে ব্যক্তিগত কাজে ছিলেন। যা বিভিন্ন দপ্তরের সিসি ক্যামেরা ফুটেজে প্রমানিত হয়। এছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
দুই বছরের অধিক সময় পুলিশি তদন্ত শেষে মামলার এজাহারে বর্ণিত ঘটনা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় নলছিটি থানার থেকে আদালতে চুরান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। গনমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এস আই আমিনুল।
বুধবার ৯ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের নোটিশে ঝালকাঠি আদালতে হাজির হলে মিথ্যা মামলা দায়ের করার অপরাধে মামলার বাদী সুমাইয়া আক্তার রিমিকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ বিচারক।
নলছিটি এলাকার গনমাধম কর্মী তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘কুলকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বাচ্চুর অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মিন্টু মৃধা প্রতিবাদ করায় তাকে শায়েস্তা করতে রিমিকে দিয়ে মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়েছিলো। এঘটনা সাজাতে রিমিকে ৫ লাখ টাকাও দিয়েছিলো সাবেক এই চেয়ারম্যান।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
০১৯১৬৯২৯৪৩৫
৯ এপ্রিল ২০২৫






















