ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ
-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে জ্ঞান অর্জন করা হয়, তা একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটা সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিকল্প ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে বেসরকারি স্কুল, কিন্ডারগার্টেনের মতো অনেকগুলো বিকল্প তৈরি হয়েছে। ফলে অভিভাবকগণ সুবিধামাফিক নিজ সন্তানদের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেয়া হচ্ছে। অথচ, বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পড়ানোর জন্য অভিভাবকদের বহু অর্থব্যয়ের প্রয়োজন হয়। সুতরাং, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার কথা নয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের যে অবকাঠামো রয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগেরই সে অবকাঠামো নেই। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় মানসম্পন্ন এবং তাদের নিয়মিত ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা রয়েছে।

আজ ২২মার্চ শনিবার সকালে ময়মনসিংহের টাউন হল এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা। ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারগণের সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার, প্রাথমিক শিক্ষা ময়মনসিংহের বিভাগীয় উপপরিচালক মোঃ জালাল উদ্দিন, ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ।

উপদেষ্টা আরো বলেন, কর্মঘণ্টা ঠিক রেখে প্রধান শিক্ষকরা রুটিন মডিফাই করতে পারবেন। শহর ও গ্রামে কোন সময়ে পাঠদানের সময় নির্ধারণ করলে ভালো হয়, সেভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। স্থানীয়ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্কুল বন্ধ রাখতে হলে, শনিবার খোলা রেখে সেটি কাভার দেয়া যেতে পারে। বছরে টোটাল কর্মদিবস মাত্র ১৮৫ দিনের মতো উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যেও অনেক দিন বিভিন্নভাবে নষ্ট হয়। তাই স্কুল শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, স্কুল চলাকালীন সময়ে তারা যেন নিজেদের অন্য কাজে নিয়োজিত না করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, স্কুলের ছুটি কমানোর ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে কাজ করার চেষ্টা করবো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টার্গেটটা ছোট, কিন্তু তা জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে একজন শিক্ষার্থীকে স্বাক্ষর করে গড়ে তোলা হয়। উদ্দেশ্য থাকে শিক্ষার্থী যেন তার নিজের ভাষায় পড়তে, মনের ভাব ব্যক্ত করতে পারে।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সুপার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, সহকারী ইন্সট্রাক্টর এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীগণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ

আপডেট সময় : ০৩:৫১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ মার্চ ২০২৫

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ
-প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যে জ্ঞান অর্জন করা হয়, তা একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটা সময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিকল্প ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে বেসরকারি স্কুল, কিন্ডারগার্টেনের মতো অনেকগুলো বিকল্প তৈরি হয়েছে। ফলে অভিভাবকগণ সুবিধামাফিক নিজ সন্তানদের যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন।

তিনি বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক দেয়া হচ্ছে। অথচ, বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে পড়ানোর জন্য অভিভাবকদের বহু অর্থব্যয়ের প্রয়োজন হয়। সুতরাং, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার কথা নয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের যে অবকাঠামো রয়েছে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগেরই সে অবকাঠামো নেই। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় মানসম্পন্ন এবং তাদের নিয়মিত ট্রেনিং-এর ব্যবস্থা রয়েছে।

আজ ২২মার্চ শনিবার সকালে ময়মনসিংহের টাউন হল এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা। ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারগণের সাথে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) লুৎফুন নাহার, প্রাথমিক শিক্ষা ময়মনসিংহের বিভাগীয় উপপরিচালক মোঃ জালাল উদ্দিন, ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ওবায়দুল্লাহ।

উপদেষ্টা আরো বলেন, কর্মঘণ্টা ঠিক রেখে প্রধান শিক্ষকরা রুটিন মডিফাই করতে পারবেন। শহর ও গ্রামে কোন সময়ে পাঠদানের সময় নির্ধারণ করলে ভালো হয়, সেভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া যেতে পারে। স্থানীয়ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে স্কুল বন্ধ রাখতে হলে, শনিবার খোলা রেখে সেটি কাভার দেয়া যেতে পারে। বছরে টোটাল কর্মদিবস মাত্র ১৮৫ দিনের মতো উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এর মধ্যেও অনেক দিন বিভিন্নভাবে নষ্ট হয়। তাই স্কুল শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, স্কুল চলাকালীন সময়ে তারা যেন নিজেদের অন্য কাজে নিয়োজিত না করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, স্কুলের ছুটি কমানোর ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাথে যৌথভাবে কাজ করার চেষ্টা করবো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টার্গেটটা ছোট, কিন্তু তা জীবনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে একজন শিক্ষার্থীকে স্বাক্ষর করে গড়ে তোলা হয়। উদ্দেশ্য থাকে শিক্ষার্থী যেন তার নিজের ভাষায় পড়তে, মনের ভাব ব্যক্ত করতে পারে।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সুপার, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, সহকারী ইন্সট্রাক্টর এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীগণ।