ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি

প্রকৃতিতে রং ছড়াচ্ছে শিমুল ফুল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রকৃতিতে রং ছড়াচ্ছে শিমুল ফুল

শিমুল ফুলের লালে  নতুন সাজে সেজেছে প্রকৃতি

সলঙ্গায় দেশীয় শিমুল গাছ বিলুপ্তির পথে

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) থেকে ফারুক আহমেদঃ

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়   ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম ভাগে প্রকৃতিতে রাঙিয়ে ফুটছে শিমুল ফুল।গ্রাম বাংলার মেঠো পথের ধারে,ভিটা বাড়ির  পতিত জমিতে দেখা মিলছে রক্ত লাল শিমুল ফুল।গাছে গাছে সবুজ পাতা,ফুল আর কোকিলের ডাক মনে করিয়ে দেয় বসন্তের আগমনী বার্তা।

কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে শিমুল গাছ।প্রতিনিয়ত বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শিমুল গাছ।গ্রাম বাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে রক্তরাঙা এসব শিমুল গাছ।

সেই সাথে কমেছে মনোমুগ্ধকর শিমুল ফুল।প্রস্ফুটিত শিমুল ফুলের অপরুপ দৃশ্য জানান দিত পুরো এলাকা।ঋতুরাজ বসন্তে আগের মত চোখে পড়ে না শিমুল গাছ।এর ফলে মান সম্মত ও স্বাস্থ্য সম্মত তুলা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে এ এলাকার মানুষ।শিমুল গাছ কেউ তেমন রোপন করে না।কারন আধুনিক ও প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে শিমুল কাঠের দাম কম।বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির গাছের প্রতি মানুষ ঝুঁকে পড়ায় শিমুল গাছসহ বিভিন্ন দেশীয় গাছ আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।প্রাকৃতিক ভাবে গজিয়ে ওঠা এ সব শিমুলের তুলা দিয়ে লেপ,তোষক,বালিশ ইত্যাদি তৈরি করা হত।যা ব্যবহার খুবই আরাম দায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত হতো।শুধু তাই নয়,শিমুল গাছ অনেক রোগ প্রতিরোধের ওষধি গাছ হিসেবে ভেষজ-হারবাল ব্যবসায়ীদের কাছে পরিচিত ছিল।রামকৃঞপুর ইউপির হরিনচড়া গ্রামের ষাটোর্ধ বয়সী জমসের আলী জানান,এই তো দেখলাম ১৫/২০ বছর আগে শিমুল তুলা বিক্রি হতো ৫০-৬০ টাকা কেজি।সেই তুলা এখন বিক্রি হয় ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি।দাদপুর জি.আর ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকার “রুপালী বাংলাদেশ”কে জানান,শিমুল ফুল না ফুটলে যেন বসন্তই মনে হয় না। বাংলাদেশের ভৌগলিক পরিবেশের সঙ্গে সংস্কৃতি চর্চার একটি যোগসুত্র রয়েছে।গান, কবিতা,নাটকে বাংলার প্রকৃতি উঠে আসে বারবার।তেমনি বসন্ত এলেই চলে আসে শিমুল ফুলের কথা।তাই ঋতু বৈচিত্রের এসব অনুসঙ্গকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও আমাদের।

ফারুক আহমেদ

রায়গঞ্জ /সিরাজগঞ্জ

তাং- ০৫/০৩/২৫ইং

০১৭৮৯৪৮৪২৪০

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রকৃতিতে রং ছড়াচ্ছে শিমুল ফুল

আপডেট সময় : ১১:০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

প্রকৃতিতে রং ছড়াচ্ছে শিমুল ফুল

শিমুল ফুলের লালে  নতুন সাজে সেজেছে প্রকৃতি

সলঙ্গায় দেশীয় শিমুল গাছ বিলুপ্তির পথে

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) থেকে ফারুক আহমেদঃ

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়   ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম ভাগে প্রকৃতিতে রাঙিয়ে ফুটছে শিমুল ফুল।গ্রাম বাংলার মেঠো পথের ধারে,ভিটা বাড়ির  পতিত জমিতে দেখা মিলছে রক্ত লাল শিমুল ফুল।গাছে গাছে সবুজ পাতা,ফুল আর কোকিলের ডাক মনে করিয়ে দেয় বসন্তের আগমনী বার্তা।

কালের বিবর্তনে আর আধুনিকতার ছোয়ায় হারিয়ে যেতে বসেছে শিমুল গাছ।প্রতিনিয়ত বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে শিমুল গাছ।গ্রাম বাংলার বুক থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে রক্তরাঙা এসব শিমুল গাছ।

সেই সাথে কমেছে মনোমুগ্ধকর শিমুল ফুল।প্রস্ফুটিত শিমুল ফুলের অপরুপ দৃশ্য জানান দিত পুরো এলাকা।ঋতুরাজ বসন্তে আগের মত চোখে পড়ে না শিমুল গাছ।এর ফলে মান সম্মত ও স্বাস্থ্য সম্মত তুলা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে এ এলাকার মানুষ।শিমুল গাছ কেউ তেমন রোপন করে না।কারন আধুনিক ও প্রযুক্তির সাথে পাল্লা দিয়ে শিমুল কাঠের দাম কম।বিদেশী বিভিন্ন প্রজাতির গাছের প্রতি মানুষ ঝুঁকে পড়ায় শিমুল গাছসহ বিভিন্ন দেশীয় গাছ আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।প্রাকৃতিক ভাবে গজিয়ে ওঠা এ সব শিমুলের তুলা দিয়ে লেপ,তোষক,বালিশ ইত্যাদি তৈরি করা হত।যা ব্যবহার খুবই আরাম দায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত হতো।শুধু তাই নয়,শিমুল গাছ অনেক রোগ প্রতিরোধের ওষধি গাছ হিসেবে ভেষজ-হারবাল ব্যবসায়ীদের কাছে পরিচিত ছিল।রামকৃঞপুর ইউপির হরিনচড়া গ্রামের ষাটোর্ধ বয়সী জমসের আলী জানান,এই তো দেখলাম ১৫/২০ বছর আগে শিমুল তুলা বিক্রি হতো ৫০-৬০ টাকা কেজি।সেই তুলা এখন বিক্রি হয় ৪৫০-৫০০ টাকা কেজি।দাদপুর জি.আর ডিগ্রী কলেজের সহকারি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সরকার “রুপালী বাংলাদেশ”কে জানান,শিমুল ফুল না ফুটলে যেন বসন্তই মনে হয় না। বাংলাদেশের ভৌগলিক পরিবেশের সঙ্গে সংস্কৃতি চর্চার একটি যোগসুত্র রয়েছে।গান, কবিতা,নাটকে বাংলার প্রকৃতি উঠে আসে বারবার।তেমনি বসন্ত এলেই চলে আসে শিমুল ফুলের কথা।তাই ঋতু বৈচিত্রের এসব অনুসঙ্গকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বও আমাদের।

ফারুক আহমেদ

রায়গঞ্জ /সিরাজগঞ্জ

তাং- ০৫/০৩/২৫ইং

০১৭৮৯৪৮৪২৪০