ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

কুটার কুড় দেওয়া নিয়ে শিক্ষিকাকে মারধর, মামলা দায়েরের পর বাদীকে হুমকি

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুসঙ্গল ইউনিয়নের ভাউমহল গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিক্ষিকা ও একই পরিবারের তিনজনকে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় ১২ জুন ২০২৫ তারিখে নলছিটি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আহত শিক্ষিকা কহিনূর বেগম জানান, “আমার স্বামী বাড়ির সামনে কুটা-কুড় ফেলছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন এসে তাকে মারধর শুরু করে। আমি ও মেয়ে ফাতেমা জাহান এগিয়ে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়। আমার নাকের হাড় ভেঙে গেছে, চোখে রক্ত জমে আছে। এমনকি আমার গায়ের পোশাক ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়।”

মামলা সূত্রে জানা যায়, ৯ জুন সকাল সাড়ে ১১টায় মো. আলমগীর সিকদার তার বসতবাড়ির সামনে কুটা-কুড় ফেলছিলেন। পূর্ব জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই এলাকার আশিকুল রহমান সৌরভ, হাবিবা বেগম, নূর ইসলামসহ কয়েকজন লোহার রড ও লাঠি নিয়ে তার ওপর আক্রমণ চালায়। চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ও মেয়ে এগিয়ে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। অভিযোগে শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং কন্যা ফাতেমার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

গুরুত্বর আহত কহিনূর বেগম নলছিটির মানপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন। আহতরা বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন, তবে এখনো পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বাদী মো. আলমগীর সিকদার বলেন, “মামলা করার পর থেকে আসামিরা হুমকি দিচ্ছে। তারা আমাদের পঙ্গু বা হত্যা করে লাশ গুম করার পরিকল্পনা করছে।”

নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, ” বাদীকে হুমকির কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

কুটার কুড় দেওয়া নিয়ে শিক্ষিকাকে মারধর, মামলা দায়েরের পর বাদীকে হুমকি

আপডেট সময় : ০৭:২০:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুসঙ্গল ইউনিয়নের ভাউমহল গ্রামে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক শিক্ষিকা ও একই পরিবারের তিনজনকে সংঘবদ্ধভাবে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এ ঘটনায় ১২ জুন ২০২৫ তারিখে নলছিটি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আহত শিক্ষিকা কহিনূর বেগম জানান, “আমার স্বামী বাড়ির সামনে কুটা-কুড় ফেলছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন এসে তাকে মারধর শুরু করে। আমি ও মেয়ে ফাতেমা জাহান এগিয়ে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়। আমার নাকের হাড় ভেঙে গেছে, চোখে রক্ত জমে আছে। এমনকি আমার গায়ের পোশাক ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়।”

মামলা সূত্রে জানা যায়, ৯ জুন সকাল সাড়ে ১১টায় মো. আলমগীর সিকদার তার বসতবাড়ির সামনে কুটা-কুড় ফেলছিলেন। পূর্ব জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একই এলাকার আশিকুল রহমান সৌরভ, হাবিবা বেগম, নূর ইসলামসহ কয়েকজন লোহার রড ও লাঠি নিয়ে তার ওপর আক্রমণ চালায়। চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ও মেয়ে এগিয়ে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। অভিযোগে শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং কন্যা ফাতেমার গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

গুরুত্বর আহত কহিনূর বেগম নলছিটির মানপাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন। আহতরা বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন, তবে এখনো পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

বাদী মো. আলমগীর সিকদার বলেন, “মামলা করার পর থেকে আসামিরা হুমকি দিচ্ছে। তারা আমাদের পঙ্গু বা হত্যা করে লাশ গুম করার পরিকল্পনা করছে।”

নলছিটি থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম বলেন, ” বাদীকে হুমকির কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।