ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর বড় পারুলিয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশ – যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিশাল গণমিছিল: দিঘলিয়ায় আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী প্রচারণা সম্পন্ন বরগুনার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচনি শেষ জনসভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কাজে সারাদেশে নারী হেনস্তার প্রতিবাদে রামপালে বিক্ষোভ মিছিল সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না: নুরুল ইসলাম মনি বিএনপি নির্বাচিত হলে দিল্লির থেকেও বরগুনা আওয়ামী লীগ ভালো থাকবেন রাজাপুর–কাঠালিয়া আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইশতেহার, উন্নয়নের নতুন প্রতিশ্রুতি

ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহত ২৬, মসজিদেই প্রাণ গেছে ১৪ জনের

জে বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫ ১০০ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ভারতের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানে ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর এলাকার ‘সুবহান আল্লাহ’ নামের একটি মসজিদে। বুধবার (৭ মে) এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি, আর নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী জয়শ-ই-মোহাম্মদ (জেইএম)।

 

জেইএম এক বিবৃতিতে জানায়, মসজিদে নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গোষ্ঠীটির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মাসুদ আজহারের পরিবারের ১০ জন সদস্য এবং তার ৪ জন ঘনিষ্ঠ সহযোগী। নিহতদের মধ্যে মাসুদ আজহারের বড় বোন, তার স্বামী, ভাতিজা, ভাতিজার স্ত্রী, এক ভাতিজি ও পাঁচটি শিশু রয়েছে। এছাড়া তার তিনজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তাদের একজনের মা-ও ওই হামলায় নিহত হয়েছেন।

ভারতের এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভারত বা পাকিস্তানের সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

 

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার (৬ মে) মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। নয়টি ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে দিল্লি। তবে ইসলামাবাদের দাবি, হামলা চালানো হয়েছে ছয়টি স্থানে এবং এগুলোর কোনোটিই সন্ত্রাসী ঘাঁটি ছিল না।

উল্লেখ্য, ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হন। সেই ঘটনার তদন্তে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) অভিযোগ তোলে যে, এই হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন জয়শ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার এবং তার ভাই আবদুর রউফ আসগর।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারতের হামলায় পাকিস্তানে নিহত ২৬, মসজিদেই প্রাণ গেছে ১৪ জনের

আপডেট সময় : ০১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

 

ভারতের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানে ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন পাকিস্তানের বাহাওয়ালপুর এলাকার ‘সুবহান আল্লাহ’ নামের একটি মসজিদে। বুধবার (৭ মে) এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি, আর নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী জয়শ-ই-মোহাম্মদ (জেইএম)।

 

জেইএম এক বিবৃতিতে জানায়, মসজিদে নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গোষ্ঠীটির প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মাসুদ আজহারের পরিবারের ১০ জন সদস্য এবং তার ৪ জন ঘনিষ্ঠ সহযোগী। নিহতদের মধ্যে মাসুদ আজহারের বড় বোন, তার স্বামী, ভাতিজা, ভাতিজার স্ত্রী, এক ভাতিজি ও পাঁচটি শিশু রয়েছে। এছাড়া তার তিনজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তাদের একজনের মা-ও ওই হামলায় নিহত হয়েছেন।

ভারতের এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভারত বা পাকিস্তানের সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

 

বিবিসির প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার (৬ মে) মধ্যরাতের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। নয়টি ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে দিল্লি। তবে ইসলামাবাদের দাবি, হামলা চালানো হয়েছে ছয়টি স্থানে এবং এগুলোর কোনোটিই সন্ত্রাসী ঘাঁটি ছিল না।

উল্লেখ্য, ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আত্মঘাতী হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হন। সেই ঘটনার তদন্তে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) অভিযোগ তোলে যে, এই হামলার পরিকল্পনায় জড়িত ছিলেন জয়শ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহার এবং তার ভাই আবদুর রউফ আসগর।