ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও

এখন কোন পথে ইরান?

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক মূল্যায়ন যদি সঠিক হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ দেখা দেবে এবং প্রশ্ন উঠবে যে ইরান এখন কোন পথে?

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা কি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিলম্বিত করার পরিবর্তে আরও গতিশীল করতে উদ্বুদ্ধ করবে? বিশেষ করে যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে এবং নিহত বিজ্ঞানীদের জায়গায় নতুনদের নিযুক্ত করা হবে, তখন কি এই কর্মসূচির গতি বাড়বে?

দুই দেশের হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে ইরান, তা নিরূপণ করতে সময়ের দরকার হবে। এছাড়া ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে ইসরায়েল যে দাবি করতো এতদিন, সেটি নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে।

ইরানি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বলেছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আর কখনই পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তুলতে পারবে না।

তবে ইরানের ক্ষমতাসীন নেতারা এখন বুঝে গেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করা হয়েছে এবং এমন অস্ত্রই হয়তো ভবিষ্যতের হামলা থেকে তাদের কেবল রক্ষা হতে পারে।

পারমাণবিক কর্মসূচি বাতিল করার দাবিতে উত্তর কোরিয়ার ওপর সব ধরনের চাপ প্রয়োগ করা সত্ত্বেও দেশটির ভাণ্ডারে পারমাণবিক অস্ত্র যুক্ত হয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রধারী হওয়ায় এই দেশটি কখনই কোনও ধরনের হামলার শিকার হয়নি।

বুধবার ইরানের সংসদ বৈশ্বিক পারমাণবিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধে একটি বিল পাস করেছে। এমনকি দেশটির কিছু কর্মকর্তা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকেও বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।

এছাড়া ৬০ শতাংশ মাত্রা সমৃদ্ধ করা প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়ামের ক্ষেত্রে কী ঘটেছে সেটিও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। ইরানের এই মাত্রায় পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণকে অস্ত্র তৈরির জন্য নির্ধারিত মাত্রার কেবল এক ধাপ নিচে রয়েছে বলে মনে করা হয়।

ইসরায়েল-ইরানের যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা একটি নতুন চুক্তির জন্য আবারও আলোচনা শুরুর চেষ্টা করবেন। আর এই চুক্তি উভয়পক্ষেরই মানার যৌক্তিক কারণ রয়েছে।

তবে ইরান বর্তমানে দুর্বল অবস্থানে থাকলেও এই আলোচনা কঠিন হবে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তই হচ্ছে, ইরানের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। আর ইরান বরাবরের মতো এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, ‘‘ইরানিদের সঙ্গে আমাদের বসার এবং একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি করার সময় এসেছে।’’

 

সূত্র: বিবিসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

এখন কোন পথে ইরান?

আপডেট সময় : ০৩:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার প্রাথমিক মূল্যায়ন যদি সঠিক হয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ দেখা দেবে এবং প্রশ্ন উঠবে যে ইরান এখন কোন পথে?

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা কি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বিলম্বিত করার পরিবর্তে আরও গতিশীল করতে উদ্বুদ্ধ করবে? বিশেষ করে যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠবে এবং নিহত বিজ্ঞানীদের জায়গায় নতুনদের নিযুক্ত করা হবে, তখন কি এই কর্মসূচির গতি বাড়বে?

দুই দেশের হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে ইরান, তা নিরূপণ করতে সময়ের দরকার হবে। এছাড়া ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে ইসরায়েল যে দাবি করতো এতদিন, সেটি নিয়ে এখনও বিতর্ক চলছে।

ইরানি কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে বলেছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান আর কখনই পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তুলতে পারবে না।

তবে ইরানের ক্ষমতাসীন নেতারা এখন বুঝে গেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করা হয়েছে এবং এমন অস্ত্রই হয়তো ভবিষ্যতের হামলা থেকে তাদের কেবল রক্ষা হতে পারে।

পারমাণবিক কর্মসূচি বাতিল করার দাবিতে উত্তর কোরিয়ার ওপর সব ধরনের চাপ প্রয়োগ করা সত্ত্বেও দেশটির ভাণ্ডারে পারমাণবিক অস্ত্র যুক্ত হয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্রধারী হওয়ায় এই দেশটি কখনই কোনও ধরনের হামলার শিকার হয়নি।

বুধবার ইরানের সংসদ বৈশ্বিক পারমাণবিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে সহযোগিতা বন্ধে একটি বিল পাস করেছে। এমনকি দেশটির কিছু কর্মকর্তা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকেও বেরিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন।

এছাড়া ৬০ শতাংশ মাত্রা সমৃদ্ধ করা প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়ামের ক্ষেত্রে কী ঘটেছে সেটিও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। ইরানের এই মাত্রায় পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণকে অস্ত্র তৈরির জন্য নির্ধারিত মাত্রার কেবল এক ধাপ নিচে রয়েছে বলে মনে করা হয়।

ইসরায়েল-ইরানের যুদ্ধবিরতি অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা একটি নতুন চুক্তির জন্য আবারও আলোচনা শুরুর চেষ্টা করবেন। আর এই চুক্তি উভয়পক্ষেরই মানার যৌক্তিক কারণ রয়েছে।

তবে ইরান বর্তমানে দুর্বল অবস্থানে থাকলেও এই আলোচনা কঠিন হবে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তই হচ্ছে, ইরানের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। আর ইরান বরাবরের মতো এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, ‘‘ইরানিদের সঙ্গে আমাদের বসার এবং একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি করার সময় এসেছে।’’

 

সূত্র: বিবিসি।