ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি ঘোষণা সোহেল মাহমুদ আহবায়ক ও আলিফ আহমেদ রাজীব সদস্য সচিব জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিলেটে ‘বালু মকসুদ’ এর হয়রানিমূলক মামলা কোর্টে স্থগিত ; রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের বর্জ্যে দুর্গন্ধ: গণ-আবেদনের পর পৌরসভার অভিযান, খালে বর্জ্য ফেলার পাইপ বন্ধ ঝালকাঠিতে হাদির পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: শুধু শুটার নয়, পুরো চক্রের বিচার দাবি ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে- এমপি জামাল কেশবপুরের পল্লীতে ভেজাল দুধ উৎপন্ন  করার অপরাধে ৬জন আটক পানছড়িতে অসহায় দিনমজুরকে টিনসেট ঘর উপহার দিলো যুবসমাজ ৭ বছরেরও প্রত্যাহার হয়নি নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুলের মামলা  আইনের শাষণ কোথায় জামালপুরের রশিদপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন

পাকিস্তানে হামলায় ৭০ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত দাবি করছে ভারত

জে বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের বেশ কয়েকটি স্থানে সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। এই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নিহতদের সবাই সন্ত্রাসী বলে জানিয়েছে ভারত। আজ (৭ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৭ মে) ভোরে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে ২৪টি নির্ভুল মিসাইল হামলা চালায়। টার্গেট করা হয় লস্কর-ই-তৈয়্যবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি—বিশেষ করে পাঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে এবং বাহাওয়ালপুর অঞ্চলে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, এতে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

হামলাগুলো চালানো হয় বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে। ভারত জানিয়েছে, এই হামলা ছিল ২২ এপ্রিল অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ। ওই হামলায় ২৬ জন প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় নাগরিক এবং একজন নেপালের নাগরিক ছিলেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত মাত্রার। এতে কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমাদের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কেবলমাত্র সেইসব ঘাঁটি, যেখান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার কোনো চেষ্টা করেনি এবং হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনছে।

 

 

সূত্রঃ এনডিটিভি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

পাকিস্তানে হামলায় ৭০ ‘সন্ত্রাসী’ নিহত দাবি করছে ভারত

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের বেশ কয়েকটি স্থানে সুনির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ভারত। এই হামলায় কমপক্ষে ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নিহতদের সবাই সন্ত্রাসী বলে জানিয়েছে ভারত। আজ (৭ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার (৭ মে) ভোরে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে ২৪টি নির্ভুল মিসাইল হামলা চালায়। টার্গেট করা হয় লস্কর-ই-তৈয়্যবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি—বিশেষ করে পাঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে এবং বাহাওয়ালপুর অঞ্চলে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, এতে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

হামলাগুলো চালানো হয় বুধবার রাত ১টা ৪৪ মিনিটে। ভারত জানিয়েছে, এই হামলা ছিল ২২ এপ্রিল অনন্তনাগ জেলার পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ। ওই হামলায় ২৬ জন প্রাণ হারান, যাদের মধ্যে ২৫ জন ভারতীয় নাগরিক এবং একজন নেপালের নাগরিক ছিলেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত মাত্রার। এতে কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমাদের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কেবলমাত্র সেইসব ঘাঁটি, যেখান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার কোনো চেষ্টা করেনি এবং হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ভারত তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সন্ত্রাসী হামলার পেছনে থাকা দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনছে।

 

 

সূত্রঃ এনডিটিভি।