ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

গাইবান্ধা জেলা পরিষদে ০৫ পদে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা এর অধীন গাইবান্ধা জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সাংগঠনিক শূন্যপদ সমূহে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল এবং জেলা পরিষদ

চাকুরী বিধিমালা ১৯৯০ এর নিয়োগবিধি মোতাবেক অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য জেলা পরিষদ কার্যালয় গাইবান্ধা থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঁচটি শুন্য পদে ০১ জুলাই ২০২৪ ইং নিয়োগ আহবান করা হয়।

সেমতে হিসাবরক্ষক একজন, উচ্চমান সহকারী একজন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর একজন, ফটোকপি মেশিন অপারেটর কাম দপ্তরি একজন, অফিস সহায়ক(এম এল এস এস)

একজন ।

ওই সকল শূন্য পদে শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ দানের জন্য

দরখাস্ত আহবান করা হলে আগ্ৰহী প্রার্থীগণ

দরখাস্ত করেন।

কিন্তু দরখাস্তকারীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দানের জন্য ঘুষ বাণিজ্য শুরু হয়।

চাকুরিপ্রার্থী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন

প্রতিটি পদ অনুযায়ী ছয় থেকে ২০ লক্ষ পর্যন্ত টাকা হাকাচ্ছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

এবং তার ব্যক্তিগত সহযোগী কয়েকজন টাউট ব্যক্তি।

২৯ জানুয়ারি

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রউফ তালুকদার কে তার মুঠোফোনে এবং ল্যান্ডফোনে বারবার ফোন দিলে ফোন

 

রিসিভ করেন নাই।

নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য জেলা সিভিল সার্জন গাইবান্ধা কানিজ ফাতেমাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন,

নিয়োগ বোর্ডে তার পক্ষ থেকে একজন ট্যাগ অফিচার দিয়েছেন।

নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আরো বলেন, ঢাকায় একটি মিটিংয়ে আছেন।

নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য সহকারী প্রকৌশলী (ভার) মোঃ হারুনুর রশিদ জেলা পরিষদ গাইবান্ধাকে তার মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি ।

নিয়োগ দেওয়া অথবা চূড়ান্ত করা হয়েছে কিনা

জানতে চাইলে তিনি জানাননি।

সব মিলিয়ে অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গণ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাইবান্ধা জেলা পরিষদে ০৫ পদে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা এর অধীন গাইবান্ধা জেলা পরিষদ কার্যালয়ের সাংগঠনিক শূন্যপদ সমূহে ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল এবং জেলা পরিষদ

চাকুরী বিধিমালা ১৯৯০ এর নিয়োগবিধি মোতাবেক অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের জন্য জেলা পরিষদ কার্যালয় গাইবান্ধা থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পাঁচটি শুন্য পদে ০১ জুলাই ২০২৪ ইং নিয়োগ আহবান করা হয়।

সেমতে হিসাবরক্ষক একজন, উচ্চমান সহকারী একজন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর একজন, ফটোকপি মেশিন অপারেটর কাম দপ্তরি একজন, অফিস সহায়ক(এম এল এস এস)

একজন ।

ওই সকল শূন্য পদে শর্তসাপেক্ষে নিয়োগ দানের জন্য

দরখাস্ত আহবান করা হলে আগ্ৰহী প্রার্থীগণ

দরখাস্ত করেন।

কিন্তু দরখাস্তকারীদের মধ্য থেকে নিয়োগ দানের জন্য ঘুষ বাণিজ্য শুরু হয়।

চাকুরিপ্রার্থী কয়েকজন অভিযোগ করেছেন

প্রতিটি পদ অনুযায়ী ছয় থেকে ২০ লক্ষ পর্যন্ত টাকা হাকাচ্ছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

এবং তার ব্যক্তিগত সহযোগী কয়েকজন টাউট ব্যক্তি।

২৯ জানুয়ারি

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রউফ তালুকদার কে তার মুঠোফোনে এবং ল্যান্ডফোনে বারবার ফোন দিলে ফোন

 

রিসিভ করেন নাই।

নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য জেলা সিভিল সার্জন গাইবান্ধা কানিজ ফাতেমাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন,

নিয়োগ বোর্ডে তার পক্ষ থেকে একজন ট্যাগ অফিচার দিয়েছেন।

নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্য বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি আরো বলেন, ঢাকায় একটি মিটিংয়ে আছেন।

নিয়োগ কমিটির অন্যতম সদস্য সহকারী প্রকৌশলী (ভার) মোঃ হারুনুর রশিদ জেলা পরিষদ গাইবান্ধাকে তার মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো কথা হয়নি ।

নিয়োগ দেওয়া অথবা চূড়ান্ত করা হয়েছে কিনা

জানতে চাইলে তিনি জানাননি।

সব মিলিয়ে অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গণ।