ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জয়পুরহাটে ডাকাত-পুলিশ গোলাগুলি, গ্রেপ্তার ৫

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আল-আমিন জয়পুরহাট প্রতিনিধি জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে অস্ত্রধারী ডাকাতদের ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাকাত সদস্যদের ছোড়া গুলিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৩টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ডাকাত দলের সদস্য মাজের আলী ওরফে খোকা (৪৮), আব্দুল মাজেদ (২৬) ও প্রশান্ত রবিদাস (২৭)। এ ছাড়া পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগে মোমেনা খাতুন (২৩) স্মৃতি আক্তারকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে কোদাল, নগদ ৪১ হাজার টাকা, দুটি বটি ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের আবু হায়াতের বাড়িতে ১৫ থেকে ১৬ জনের ডাকাতদল অবস্থান করছে—এমন খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, ক্ষেতলাল ও কালাই থানা পুলিশ রাত ৯টার পর ঘটনাস্থলে যায়। ডাকাতদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আবু হায়াতের বাড়ির চার পাশে ঘেরাও করে রাখেন। পুলিশ সদস্যরা ডাকাত দলের সদস্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ শুরু করে।

একপর্যায়ে পুলিশ পেছনে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আরও অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স চায়। এরপর জয়পুরহাট সদর থানা, পাঁচবিবি থানার জয়পুরহাট পুলিশ লাইনসের ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ডাকাতরা আবারও এলোপাতাড়ি গুলি করে ৮ থেকে ১০ জন ডাকাত পালিয়ে যান। এ সময় ডাকাত দলের গুলিতে কনস্টেবল মিজানুর রহমান আহত হন। আত্মরক্ষার্থে ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। পুলিশের পালটা গুলিতে ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে পড়েন। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

ডিবি পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার সারারাত অভিযান চালানো হয়। ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। ডাকাতরা আত্মসমর্পণ না করে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে। এতে মিজানুর রহমান নামে এক কনস্টেবল গুলিতে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষেতলাল থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে ডাকাত-পুলিশ গোলাগুলি, গ্রেপ্তার ৫

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫

মোঃ আল-আমিন জয়পুরহাট প্রতিনিধি জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে অস্ত্রধারী ডাকাতদের ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাকাত সদস্যদের ছোড়া গুলিতে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দুই নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল পৌনে ৩টায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ডাকাত দলের সদস্য মাজের আলী ওরফে খোকা (৪৮), আব্দুল মাজেদ (২৬) ও প্রশান্ত রবিদাস (২৭)। এ ছাড়া পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগে মোমেনা খাতুন (২৩) স্মৃতি আক্তারকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে কোদাল, নগদ ৪১ হাজার টাকা, দুটি বটি ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের আবু হায়াতের বাড়িতে ১৫ থেকে ১৬ জনের ডাকাতদল অবস্থান করছে—এমন খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, ক্ষেতলাল ও কালাই থানা পুলিশ রাত ৯টার পর ঘটনাস্থলে যায়। ডাকাতদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ সদস্যরা আবু হায়াতের বাড়ির চার পাশে ঘেরাও করে রাখেন। পুলিশ সদস্যরা ডাকাত দলের সদস্যদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ শুরু করে।

একপর্যায়ে পুলিশ পেছনে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে আরও অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স চায়। এরপর জয়পুরহাট সদর থানা, পাঁচবিবি থানার জয়পুরহাট পুলিশ লাইনসের ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ডাকাতরা আবারও এলোপাতাড়ি গুলি করে ৮ থেকে ১০ জন ডাকাত পালিয়ে যান। এ সময় ডাকাত দলের গুলিতে কনস্টেবল মিজানুর রহমান আহত হন। আত্মরক্ষার্থে ১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে পুলিশ। পুলিশের পালটা গুলিতে ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে পড়েন। এ সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

ডিবি পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার সারারাত অভিযান চালানো হয়। ডাকাতদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। ডাকাতরা আত্মসমর্পণ না করে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি বর্ষণ করে। এতে মিজানুর রহমান নামে এক কনস্টেবল গুলিতে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষেতলাল থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।