ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

পানছড়িতে জেএসএস–ইউপিডিএফ সংঘাত: গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৪:৪২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের হামলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

 

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে পানছড়ি সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) পানছড়ি উপজেলার ৫ নম্বর উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দলের মুখোমুখি হন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

 

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

এদিকে ইউপিডিএফের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে দাবি করেন, সন্তু গ্রুপের ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দল বড়কোণা এলাকায় আগে থেকেই ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় সংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে আপন ত্রিপুরা তাদের সামনে পড়লে তাকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 

বিবৃতিতে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে “কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক” আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ি এলাকায় খুন, অপহরণসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালালেও প্রশাসন সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

 

তিনি অবিলম্বে আপন ত্রিপুরা হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং খুনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পানছড়িতে জেএসএস–ইউপিডিএফ সংঘাত: গুলিতে ইউপিডিএফ সদস্য নিহত

আপডেট সময় : ০৪:৪২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের হামলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর এক সদস্যকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

 

শনিবার (৭ মার্চ) সকালে পানছড়ি সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়কোণা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) পানছড়ি উপজেলার ৫ নম্বর উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের বাসিন্দা কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দলের মুখোমুখি হন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাকে খুব কাছ থেকে মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

 

পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

এদিকে ইউপিডিএফের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে দাবি করেন, সন্তু গ্রুপের ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দল বড়কোণা এলাকায় আগে থেকেই ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় সংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে আপন ত্রিপুরা তাদের সামনে পড়লে তাকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

 

বিবৃতিতে তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে “কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক” আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ি এলাকায় খুন, অপহরণসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালালেও প্রশাসন সন্তু গ্রুপের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

 

তিনি অবিলম্বে আপন ত্রিপুরা হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং খুনি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।