ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

পাক-ভারত যুদ্ধ : গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিরতার আশংকা

জে বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাক ভারত যুদ্ধ শুরু হয়েছে। পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভারত বুধবার ভোরে পাকিস্তানে সশস্ত্র হামলা করে। বিমান হামলায় পাকিস্তান ভারত উভয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে এ যুদ্ধে কোন দেশই জয়লাভ করবে না। এক সময় আন্তজার্তিক মধ্যস্ততায় যুদ্ধের সমাপ্তি হবে। তবে বেশীদিন এই অবস্থা চলতে থাকলে গোটা এশিয়ায় খাদ্য সংকট থেকে শুরু করে নানা রকম অস্থিরতা তৈরী হবে বলে মনে করছেন যুদ্ধ বিশ্লেষকরা। ভারত বুধবার ভোরে পাকিস্তানে মিসাইল হামলা করে।

 

ভারতের মিসাইল হামলার জবাবে দেশটির পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। ভূপাতিত এসব ভারতীয় যুদ্ধবিমানের ৩টিই ভারতীয় বিমান বাহিনীর রাফাল ফাইটার জেট। এছাড়া পাকিস্তানের হামলায় ভারতীয় একটি এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত হয়েছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আজ (৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফও নিশ্চিত করেছেন যে, ভারতের সাম্প্রতিক সীমান্ত আগ্রাসনের জবাবে পাকিস্তান বিমান বাহিনী কমপক্ষে পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে।

 

ভারত হামলার সময় লক্ষ্যবস্তু করেছে মসজিদ, নারী ও শিশুদের। সকলেই বেসামরিক লোক। মিসাইল হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তান ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেড সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।

 

ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবী বুধবার (৭ মে) ভোরে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে ২৪টি নির্ভুল মিসাইল হামলা চালায়। টার্গেট করা হয় লস্কর-ই-তৈয়্যবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি—বিশেষ করে পাঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে এবং বাহাওয়ালপুর অঞ্চলে।

 

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, এতে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

 

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত মাত্রার। এতে কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমাদের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কেবলমাত্র সেইসব ঘাঁটি, যেখান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পাকিস্তানের ভূখণ্ডে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে এই হামলার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি ঘটনাটিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন।

 

এদিকে ভারতীয় সেনাকে যুদ্ধবন্দি হিসেবে আটকের কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। অন্যদিকে ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেড সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যুদ্ধ বিশ্লেকরা বলছেন, যদি শুরুতেই যুদ্ধ শেষ না হয়ে যায় তাহলে গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় এই যুদ্ধের দামামা ছড়িয়ে পড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাক-ভারত যুদ্ধ : গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিরতার আশংকা

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মে ২০২৫

পাক ভারত যুদ্ধ শুরু হয়েছে। পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভারত বুধবার ভোরে পাকিস্তানে সশস্ত্র হামলা করে। বিমান হামলায় পাকিস্তান ভারত উভয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে এ যুদ্ধে কোন দেশই জয়লাভ করবে না। এক সময় আন্তজার্তিক মধ্যস্ততায় যুদ্ধের সমাপ্তি হবে। তবে বেশীদিন এই অবস্থা চলতে থাকলে গোটা এশিয়ায় খাদ্য সংকট থেকে শুরু করে নানা রকম অস্থিরতা তৈরী হবে বলে মনে করছেন যুদ্ধ বিশ্লেষকরা। ভারত বুধবার ভোরে পাকিস্তানে মিসাইল হামলা করে।

 

ভারতের মিসাইল হামলার জবাবে দেশটির পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। ভূপাতিত এসব ভারতীয় যুদ্ধবিমানের ৩টিই ভারতীয় বিমান বাহিনীর রাফাল ফাইটার জেট। এছাড়া পাকিস্তানের হামলায় ভারতীয় একটি এসইউ-৩০ যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত হয়েছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে আজ (৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফও নিশ্চিত করেছেন যে, ভারতের সাম্প্রতিক সীমান্ত আগ্রাসনের জবাবে পাকিস্তান বিমান বাহিনী কমপক্ষে পাঁচটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে।

 

ভারত হামলার সময় লক্ষ্যবস্তু করেছে মসজিদ, নারী ও শিশুদের। সকলেই বেসামরিক লোক। মিসাইল হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তান ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেড সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।

 

ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবী বুধবার (৭ মে) ভোরে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী পাকিস্তান ও পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরের অন্তত ৯টি সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে ২৪টি নির্ভুল মিসাইল হামলা চালায়। টার্গেট করা হয় লস্কর-ই-তৈয়্যবা এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের শক্ত ঘাঁটি—বিশেষ করে পাঞ্জাব প্রদেশের মুরিদকে এবং বাহাওয়ালপুর অঞ্চলে।

 

ভারতীয় সেনাবাহিনীর দাবি, এই অভিযানে অন্তত ৭০ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন এবং আরও ৬০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। সেনাবাহিনীর ভাষ্যমতে, এতে সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে।

 

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত মাত্রার। এতে কোনও পাকিস্তানি সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমাদের এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল কেবলমাত্র সেইসব ঘাঁটি, যেখান থেকে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পাকিস্তানের ভূখণ্ডে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাতে এই হামলার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি ঘটনাটিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন।

 

এদিকে ভারতীয় সেনাকে যুদ্ধবন্দি হিসেবে আটকের কথা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। অন্যদিকে ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার পাশাপাশি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ব্রিগেড সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। যুদ্ধ বিশ্লেকরা বলছেন, যদি শুরুতেই যুদ্ধ শেষ না হয়ে যায় তাহলে গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় এই যুদ্ধের দামামা ছড়িয়ে পড়বে।