ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর বড় পারুলিয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশ – যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিশাল গণমিছিল: দিঘলিয়ায় আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী প্রচারণা সম্পন্ন বরগুনার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচনি শেষ জনসভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কাজে সারাদেশে নারী হেনস্তার প্রতিবাদে রামপালে বিক্ষোভ মিছিল সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না: নুরুল ইসলাম মনি বিএনপি নির্বাচিত হলে দিল্লির থেকেও বরগুনা আওয়ামী লীগ ভালো থাকবেন রাজাপুর–কাঠালিয়া আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইশতেহার, উন্নয়নের নতুন প্রতিশ্রুতি

২ হাজার কোটি টাকা পাচার : সাবেক হাইকমিশনার মুনার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী-এর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী ‘জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সোমবার (১৬ জুন) দুদক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডসহ আরও ১২টি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ আদায় করে তা বিদেশে পাচার করেছেন।

জড়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— ইউসিবিএল, ব্যাংক এশিয়া, ইবিএল, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এনবিএল, ট্রাস্ট ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক এবং এবি ব্যাংক।

দুদক প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, সেগুলোর বেশিরভাগই নামসর্বস্ব এবং কার্যত অস্তিত্বহীন। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানের নামে শুধুমাত্র কাগজে-কলমে ব্যবসা দেখানো হলেও বাস্তবে সেগুলোর কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিল না।

দুদক জানিয়েছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। এই দলে দুদকের অভিজ্ঞ অনুসন্ধান কর্মকর্তারা ছাড়াও অর্থ পাচারবিরোধী তদন্তে দক্ষ কয়েকজন উপপরিচালক থাকবেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠাব। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়েছে বলেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২ হাজার কোটি টাকা পাচার : সাবেক হাইকমিশনার মুনার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

আপডেট সময় : ০৪:০১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের সাবেক হাইকমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম এবং তার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী-এর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী ‘জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেড’-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সোমবার (১৬ জুন) দুদক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন জানান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশে জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন লিমিটেডসহ আরও ১২টি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অঙ্কের ঋণ আদায় করে তা বিদেশে পাচার করেছেন।

জড়িত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে— ইউসিবিএল, ব্যাংক এশিয়া, ইবিএল, সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এনবিএল, ট্রাস্ট ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক এবং এবি ব্যাংক।

দুদক প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানগুলোর কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, সেগুলোর বেশিরভাগই নামসর্বস্ব এবং কার্যত অস্তিত্বহীন। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠানের নামে শুধুমাত্র কাগজে-কলমে ব্যবসা দেখানো হলেও বাস্তবে সেগুলোর কোনো বাণিজ্যিক কার্যক্রম ছিল না।

দুদক জানিয়েছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। এই দলে দুদকের অভিজ্ঞ অনুসন্ধান কর্মকর্তারা ছাড়াও অর্থ পাচারবিরোধী তদন্তে দক্ষ কয়েকজন উপপরিচালক থাকবেন।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে তথ্য চেয়ে চিঠি পাঠাব। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্যতা পেয়েছে বলেই অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।”