ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের ঈদের আনন্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ জুন ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঈদুল আজহার দিনে যখন দেশের মানুষ আপনজনদের সঙ্গে উৎসব ভাগাভাগি করছেন, তখন নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ না করেও রাজধানীর নানা প্রান্তে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন তাঁরা, যাতে নগরবাসী নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

শনিবার (৭ জুন) জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম, গুলশান আজাদ মসজিদসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতস্থলগুলোতে ছিল কড়া নিরাপত্তা। র‌্যাব, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা সকাল থেকেই রাজধানীর অলিগলি ও প্রধান সড়কে টহলে ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে রাজধানী থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে যাওয়ায় শহরের অনেক জায়গা ফাঁকা হয়ে পড়ে। এই সময়ে অপরাধের ঝুঁকি এড়াতে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, শনিরআখড়ার বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয় চেকপোস্ট।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালানো হয় রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “প্রতিটি ঈদেই নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করি। এবারও আমরা সতর্ক অবস্থানে ছিলাম। মানুষের শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপনে সহযোগিতা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

গুলশান আজাদ মসজিদে দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা ঈদের দিন পরিবার থেকে দূরে থাকলেও গর্ববোধ করি এই ভেবে যে, আমাদের দায়িত্ব পালনের কারণে অন্যরা নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারছে।”

পুলিশের এ ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের প্রতি সম্মান জানিয়েছে সাধারণ মানুষও।

গুলশান এলাকার বাসিন্দা সাইদুর রহমান বলেন, “সবাই চায় ঈদে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যাঁরা দায়িত্ব পালনের জন্য সেই সুযোগ পান না। পুলিশ তাদেরই একটি বড় উদাহরণ। তারা ঈদে নিজেদের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

এর আগে শুক্রবার (৬ জুন) জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শনে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। ঢাকায় চুরি ও ছিনতাইরোধে ৫০০ পেট্রোল টিম নিয়োজিত রয়েছে, যারা অলিগলিতেও কাজ করছে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের ঈদের আনন্দ

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ জুন ২০২৫

ঈদুল আজহার দিনে যখন দেশের মানুষ আপনজনদের সঙ্গে উৎসব ভাগাভাগি করছেন, তখন নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পরিবারের সঙ্গে আনন্দ না করেও রাজধানীর নানা প্রান্তে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন তাঁরা, যাতে নগরবাসী নিশ্চিন্তে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।

শনিবার (৭ জুন) জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম, গুলশান আজাদ মসজিদসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতস্থলগুলোতে ছিল কড়া নিরাপত্তা। র‌্যাব, পুলিশসহ অন্যান্য সংস্থার সদস্যরা সকাল থেকেই রাজধানীর অলিগলি ও প্রধান সড়কে টহলে ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে রাজধানী থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে যাওয়ায় শহরের অনেক জায়গা ফাঁকা হয়ে পড়ে। এই সময়ে অপরাধের ঝুঁকি এড়াতে নেওয়া হয় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা। গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ, শনিরআখড়ার বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হয় চেকপোস্ট।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালানো হয় রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “প্রতিটি ঈদেই নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করি। এবারও আমরা সতর্ক অবস্থানে ছিলাম। মানুষের শান্তিপূর্ণ ঈদ উদযাপনে সহযোগিতা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

গুলশান আজাদ মসজিদে দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা ঈদের দিন পরিবার থেকে দূরে থাকলেও গর্ববোধ করি এই ভেবে যে, আমাদের দায়িত্ব পালনের কারণে অন্যরা নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারছে।”

পুলিশের এ ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের প্রতি সম্মান জানিয়েছে সাধারণ মানুষও।

গুলশান এলাকার বাসিন্দা সাইদুর রহমান বলেন, “সবাই চায় ঈদে পরিবার নিয়ে সময় কাটাতে। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যাঁরা দায়িত্ব পালনের জন্য সেই সুযোগ পান না। পুলিশ তাদেরই একটি বড় উদাহরণ। তারা ঈদে নিজেদের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন, এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

এর আগে শুক্রবার (৬ জুন) জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শনে গিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। ঢাকায় চুরি ও ছিনতাইরোধে ৫০০ পেট্রোল টিম নিয়োজিত রয়েছে, যারা অলিগলিতেও কাজ করছে।”