ঢাকা ১০:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন চায় এনসিপি

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় ও স্থানীয় সরকার—উভয় নির্বাচনেরই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজনের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও নির্দলীয় সরকারের অধীনে হলে ভালো হবে। এ বিষয়ে কারিগরি দিক নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।”

মঙ্গলবার (৩ জুন) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের প্রথম দিনের বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সারোয়ার তুষার জানান, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ চার মাস রাখার প্রস্তাবে এনসপি একমত। তবে কয়েকটি রাজনৈতিক দল ছয় মাস মেয়াদের প্রস্তাব দিয়েছে—এ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, “মেয়াদ তিন মাস বা চার মাস—এ নিয়ে আমরা নমনীয়। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত হলে চার মাস প্রয়োজন হতে পারে।”

এনসিপি ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “অর্থবিল ও আস্থা ভোট ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে সংসদ সদস্যরা দলীয় অবস্থান থেকে ভিন্নমত দিয়ে ভোট দিতে পারবেন—এমন ব্যবস্থার পক্ষে আমরা। এতে সংসদের কার্যকারিতা বাড়বে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। কিছু সংবিধান সংশোধনী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা বলেছি, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। কারণ, অতীতে অনেক রাজনৈতিক দল এমন কিছু সংশোধনী এনেছে, যা জাতীয় সংকট সৃষ্টি করেছে। এই বিষয়গুলো আরও আলোচনার দাবি রাখে।”

তুষার জানান, সংলাপে দু’টি বিষয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সংলাপকে আরও ফলপ্রসূ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন চায় এনসিপি

আপডেট সময় : ০২:৪০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

জাতীয় ও স্থানীয় সরকার—উভয় নির্বাচনেরই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আয়োজনের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও নির্দলীয় সরকারের অধীনে হলে ভালো হবে। এ বিষয়ে কারিগরি দিক নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।”

মঙ্গলবার (৩ জুন) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের প্রথম দিনের বিরতিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সারোয়ার তুষার জানান, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ চার মাস রাখার প্রস্তাবে এনসপি একমত। তবে কয়েকটি রাজনৈতিক দল ছয় মাস মেয়াদের প্রস্তাব দিয়েছে—এ নিয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, “মেয়াদ তিন মাস বা চার মাস—এ নিয়ে আমরা নমনীয়। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত হলে চার মাস প্রয়োজন হতে পারে।”

এনসিপি ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “অর্থবিল ও আস্থা ভোট ছাড়া অন্য যেকোনো বিষয়ে সংসদ সদস্যরা দলীয় অবস্থান থেকে ভিন্নমত দিয়ে ভোট দিতে পারবেন—এমন ব্যবস্থার পক্ষে আমরা। এতে সংসদের কার্যকারিতা বাড়বে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি। কিছু সংবিধান সংশোধনী ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমরা বলেছি, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। কারণ, অতীতে অনেক রাজনৈতিক দল এমন কিছু সংশোধনী এনেছে, যা জাতীয় সংকট সৃষ্টি করেছে। এই বিষয়গুলো আরও আলোচনার দাবি রাখে।”

তুষার জানান, সংলাপে দু’টি বিষয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সংলাপকে আরও ফলপ্রসূ করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।