ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও কক্সবাজারের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ২৪,৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

শেখ হাসিনা ট্রাইব্যুনালে হাজির হননি, ১৯ জুন চূড়ান্ত শুনানি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫ ১১৬ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার মামলায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও উপস্থিত হননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৩ জুন) মামলার শুনানি শেষে আগামী ১৯ জুন চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তলব করা হলেও শেখ হাসিনা আদালতে হাজির হননি কিংবা কোনো আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যাখ্যাও দেননি। এতে আইনের বিধান অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল এখন শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে।

ট্রাইব্যুনাল আইনে স্পষ্ট বলা আছে, আদালত অবমাননার অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

মামলাটি গাইবান্ধার একজন আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে শেখ হাসিনার কথিত ফোনালাপ ঘিরে। সেখানে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২২৫ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’। এই বক্তব্য আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং বিচারাধীন বিষয়কে প্রভাবিত করে—এই অভিযোগে প্রসিকিউশন আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করে।

এই মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আরেক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্য—নাছিরুল ইসলাম, আরশাদ হোসেন, ইমাজ হোসেন ইমন এবং কনস্টেবল সুজন—কে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এই মামলাটিও বিচারাধীন এবং জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং জুলাই ঐক্যের পক্ষ থেকে এই দুটি মামলার দ্রুত বিচার ও ন্যায়বিচারের আহ্বান জানানো হয়েছে। আদালত অবমাননার মামলায় উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হলে দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা বাড়বে বলে তারা মনে করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

শেখ হাসিনা ট্রাইব্যুনালে হাজির হননি, ১৯ জুন চূড়ান্ত শুনানি

আপডেট সময় : ০৯:১৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আদালত অবমাননার মামলায় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরও উপস্থিত হননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৩ জুন) মামলার শুনানি শেষে আগামী ১৯ জুন চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তলব করা হলেও শেখ হাসিনা আদালতে হাজির হননি কিংবা কোনো আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যাখ্যাও দেননি। এতে আইনের বিধান অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল এখন শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে।

ট্রাইব্যুনাল আইনে স্পষ্ট বলা আছে, আদালত অবমাননার অভিযোগ প্রমাণিত হলে এক বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

মামলাটি গাইবান্ধার একজন আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে শেখ হাসিনার কথিত ফোনালাপ ঘিরে। সেখানে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘২২৫ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি’। এই বক্তব্য আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং বিচারাধীন বিষয়কে প্রভাবিত করে—এই অভিযোগে প্রসিকিউশন আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করে।

এই মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আরেক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, যার পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত চার পুলিশ সদস্য—নাছিরুল ইসলাম, আরশাদ হোসেন, ইমাজ হোসেন ইমন এবং কনস্টেবল সুজন—কে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এই মামলাটিও বিচারাধীন এবং জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী মানবাধিকার লঙ্ঘনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এবং জুলাই ঐক্যের পক্ষ থেকে এই দুটি মামলার দ্রুত বিচার ও ন্যায়বিচারের আহ্বান জানানো হয়েছে। আদালত অবমাননার মামলায় উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা হলে দেশের বিচারব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা বাড়বে বলে তারা মনে করছে।