ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর বড় পারুলিয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশ – যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিশাল গণমিছিল: দিঘলিয়ায় আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী প্রচারণা সম্পন্ন বরগুনার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচনি শেষ জনসভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কাজে সারাদেশে নারী হেনস্তার প্রতিবাদে রামপালে বিক্ষোভ মিছিল সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না: নুরুল ইসলাম মনি বিএনপি নির্বাচিত হলে দিল্লির থেকেও বরগুনা আওয়ামী লীগ ভালো থাকবেন রাজাপুর–কাঠালিয়া আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইশতেহার, উন্নয়নের নতুন প্রতিশ্রুতি

জুলাই সনদ করব এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব শুরু উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জুলাই সনদ করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি জানান, ইতোমধ্যে অনেক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে এবং একটি ঐক্যমত্যের সনদ তৈরির পথে দেশ এগিয়ে চলেছে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় এ বৈঠক শুরু হয়। এতে বিএনপি-জামায়াত, গণসংহতি, এলডিপি, এনসিপি, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি যত মিটিং করি, এরকম আলোচনায় সবচেয়ে আনন্দ পাই। এখানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রচনা হচ্ছে—এটাই আমাকে শিহরণ জাগায়। এই কাজে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।”

তিনি বলেন, “প্রথমে বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কোথা থেকে সংস্কার শুরু করব। পরে সিদ্ধান্ত হলো, কয়েকটি কমিশন গঠন করা হবে। তাদের হাতে আমরা ৯০ দিনের সময় তুলে দিই। তারা খুব দ্রুত কাজ শেষ করে রিপোর্ট দিয়েছে। যদিও কিছু কমিশন সময় বেশি নিয়েছে, তাতে সমস্যা নেই।”

“তখন ভাবলাম কীভাবে ঐকমত্য তৈরি করব? সেখানে থেকেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ধারণা আসে। সেটি ফলপ্রসূ হয়েছে,” বলেন ড. ইউনূস.

আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক বিষয়েই দলগুলো কাছাকাছি এসেছে। আরেকটু এগোলেই আমরা একটি ঐক্যমত্যের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য, জুলাই সনদে এসব যুক্ত করে একটি ঐতিহাসিক দলিল তৈরি করা। যাতে বলা যাবে—এই বিষয়ে আমরা জাতি হিসেবে একমত হয়েছি। এটা হবে গর্বের বিষয়।”

উল্লেখ্য, সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিভিন্ন কমিশনের মাধ্যমে খসড়া সুপারিশ তৈরি করে সরকার। এরপর শুরু হয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ। এই আলোচনা এখন দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছেছে, যেখানে বিষয়ভিত্তিক মতামত নিয়ে গঠন করা হচ্ছে সম্ভাব্য ঐকমত্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই সনদ করব এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব শুরু উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জুলাই সনদ করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি জানান, ইতোমধ্যে অনেক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে এবং একটি ঐক্যমত্যের সনদ তৈরির পথে দেশ এগিয়ে চলেছে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় এ বৈঠক শুরু হয়। এতে বিএনপি-জামায়াত, গণসংহতি, এলডিপি, এনসিপি, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি যত মিটিং করি, এরকম আলোচনায় সবচেয়ে আনন্দ পাই। এখানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রচনা হচ্ছে—এটাই আমাকে শিহরণ জাগায়। এই কাজে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।”

তিনি বলেন, “প্রথমে বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কোথা থেকে সংস্কার শুরু করব। পরে সিদ্ধান্ত হলো, কয়েকটি কমিশন গঠন করা হবে। তাদের হাতে আমরা ৯০ দিনের সময় তুলে দিই। তারা খুব দ্রুত কাজ শেষ করে রিপোর্ট দিয়েছে। যদিও কিছু কমিশন সময় বেশি নিয়েছে, তাতে সমস্যা নেই।”

“তখন ভাবলাম কীভাবে ঐকমত্য তৈরি করব? সেখানে থেকেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ধারণা আসে। সেটি ফলপ্রসূ হয়েছে,” বলেন ড. ইউনূস.

আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক বিষয়েই দলগুলো কাছাকাছি এসেছে। আরেকটু এগোলেই আমরা একটি ঐক্যমত্যের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য, জুলাই সনদে এসব যুক্ত করে একটি ঐতিহাসিক দলিল তৈরি করা। যাতে বলা যাবে—এই বিষয়ে আমরা জাতি হিসেবে একমত হয়েছি। এটা হবে গর্বের বিষয়।”

উল্লেখ্য, সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিভিন্ন কমিশনের মাধ্যমে খসড়া সুপারিশ তৈরি করে সরকার। এরপর শুরু হয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ। এই আলোচনা এখন দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছেছে, যেখানে বিষয়ভিত্তিক মতামত নিয়ে গঠন করা হচ্ছে সম্ভাব্য ঐকমত্য।