ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন

জুলাই সনদ করব এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধান উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫ ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব শুরু উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জুলাই সনদ করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি জানান, ইতোমধ্যে অনেক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে এবং একটি ঐক্যমত্যের সনদ তৈরির পথে দেশ এগিয়ে চলেছে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় এ বৈঠক শুরু হয়। এতে বিএনপি-জামায়াত, গণসংহতি, এলডিপি, এনসিপি, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি যত মিটিং করি, এরকম আলোচনায় সবচেয়ে আনন্দ পাই। এখানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রচনা হচ্ছে—এটাই আমাকে শিহরণ জাগায়। এই কাজে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।”

তিনি বলেন, “প্রথমে বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কোথা থেকে সংস্কার শুরু করব। পরে সিদ্ধান্ত হলো, কয়েকটি কমিশন গঠন করা হবে। তাদের হাতে আমরা ৯০ দিনের সময় তুলে দিই। তারা খুব দ্রুত কাজ শেষ করে রিপোর্ট দিয়েছে। যদিও কিছু কমিশন সময় বেশি নিয়েছে, তাতে সমস্যা নেই।”

“তখন ভাবলাম কীভাবে ঐকমত্য তৈরি করব? সেখানে থেকেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ধারণা আসে। সেটি ফলপ্রসূ হয়েছে,” বলেন ড. ইউনূস.

আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক বিষয়েই দলগুলো কাছাকাছি এসেছে। আরেকটু এগোলেই আমরা একটি ঐক্যমত্যের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য, জুলাই সনদে এসব যুক্ত করে একটি ঐতিহাসিক দলিল তৈরি করা। যাতে বলা যাবে—এই বিষয়ে আমরা জাতি হিসেবে একমত হয়েছি। এটা হবে গর্বের বিষয়।”

উল্লেখ্য, সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিভিন্ন কমিশনের মাধ্যমে খসড়া সুপারিশ তৈরি করে সরকার। এরপর শুরু হয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ। এই আলোচনা এখন দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছেছে, যেখানে বিষয়ভিত্তিক মতামত নিয়ে গঠন করা হচ্ছে সম্ভাব্য ঐকমত্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জুলাই সনদ করব এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:৩২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব শুরু উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “জুলাই সনদ করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য।” তিনি জানান, ইতোমধ্যে অনেক বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য তৈরি হয়েছে এবং একটি ঐক্যমত্যের সনদ তৈরির পথে দেশ এগিয়ে চলেছে।

সোমবার (২ জুন) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল সাড়ে ৪টায় এ বৈঠক শুরু হয়। এতে বিএনপি-জামায়াত, গণসংহতি, এলডিপি, এনসিপি, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি যত মিটিং করি, এরকম আলোচনায় সবচেয়ে আনন্দ পাই। এখানে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রচনা হচ্ছে—এটাই আমাকে শিহরণ জাগায়। এই কাজে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।”

তিনি বলেন, “প্রথমে বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কোথা থেকে সংস্কার শুরু করব। পরে সিদ্ধান্ত হলো, কয়েকটি কমিশন গঠন করা হবে। তাদের হাতে আমরা ৯০ দিনের সময় তুলে দিই। তারা খুব দ্রুত কাজ শেষ করে রিপোর্ট দিয়েছে। যদিও কিছু কমিশন সময় বেশি নিয়েছে, তাতে সমস্যা নেই।”

“তখন ভাবলাম কীভাবে ঐকমত্য তৈরি করব? সেখানে থেকেই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ধারণা আসে। সেটি ফলপ্রসূ হয়েছে,” বলেন ড. ইউনূস.

আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক বিষয়েই দলগুলো কাছাকাছি এসেছে। আরেকটু এগোলেই আমরা একটি ঐক্যমত্যের সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য, জুলাই সনদে এসব যুক্ত করে একটি ঐতিহাসিক দলিল তৈরি করা। যাতে বলা যাবে—এই বিষয়ে আমরা জাতি হিসেবে একমত হয়েছি। এটা হবে গর্বের বিষয়।”

উল্লেখ্য, সংস্কারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর বিভিন্ন কমিশনের মাধ্যমে খসড়া সুপারিশ তৈরি করে সরকার। এরপর শুরু হয় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ। এই আলোচনা এখন দ্বিতীয় পর্বে পৌঁছেছে, যেখানে বিষয়ভিত্তিক মতামত নিয়ে গঠন করা হচ্ছে সম্ভাব্য ঐকমত্য।