ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও কক্সবাজারের মরিচ্যা চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ২৪,৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া

মাগুরার সেই শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ১৭ মে

জে বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫ ১১১ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাগুরায় আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের দিন আগামী ১৭ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত। আজ (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এই দিন ধার্য করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার বিভিন্ন তথ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালতে বক্তব্য তুলে ধরেন। প্রথম দিনের শুনানি শেষ না হওয়ায় মঙ্গলবার (১৩ মে) পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সব পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর বিচারক রায়ের জন্য ১৭ মে দিন নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল জানান, মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ আদালতে সকাল থেকেই যুক্তিতর্ক শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কে আসামির বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণ, সাক্ষ্য এবং জব্দকৃত আলামতের ভিত্তিতে দোষ প্রমাণে তারা দৃঢ় অবস্থান নেন।

এ মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলায় সাতটি জব্দ তালিকা উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন। এদের মধ্যে ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট জব্দ তালিকাগুলো সত্যায়ন করেছেন। এছাড়া, মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেট উপস্থাপন করা হয়। পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে মেডিকেল রিপোর্টে দেওয়া মতামত সমর্থন করেন এবং তাদের স্বাক্ষর শনাক্ত করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এতসব সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)–এর ধারা ৯(২) অনুযায়ী অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

মাগুরার সেই শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ১৭ মে

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

মাগুরায় আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ের দিন আগামী ১৭ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত। আজ (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এই দিন ধার্য করেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার বিভিন্ন তথ্য ও প্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালতে বক্তব্য তুলে ধরেন। প্রথম দিনের শুনানি শেষ না হওয়ায় মঙ্গলবার (১৩ মে) পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সব পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর বিচারক রায়ের জন্য ১৭ মে দিন নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল জানান, মামলার বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ আদালতে সকাল থেকেই যুক্তিতর্ক শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কে আসামির বিরুদ্ধে উপস্থাপিত প্রমাণ, সাক্ষ্য এবং জব্দকৃত আলামতের ভিত্তিতে দোষ প্রমাণে তারা দৃঢ় অবস্থান নেন।

এ মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলায় সাতটি জব্দ তালিকা উপস্থাপন করা হয়, যার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন। এদের মধ্যে ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট জব্দ তালিকাগুলো সত্যায়ন করেছেন। এছাড়া, মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেট উপস্থাপন করা হয়। পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে মেডিকেল রিপোর্টে দেওয়া মতামত সমর্থন করেন এবং তাদের স্বাক্ষর শনাক্ত করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, এতসব সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)–এর ধারা ৯(২) অনুযায়ী অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।