ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি ঘোষণা সোহেল মাহমুদ আহবায়ক ও আলিফ আহমেদ রাজীব সদস্য সচিব জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিলেটে ‘বালু মকসুদ’ এর হয়রানিমূলক মামলা কোর্টে স্থগিত ; রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের বর্জ্যে দুর্গন্ধ: গণ-আবেদনের পর পৌরসভার অভিযান, খালে বর্জ্য ফেলার পাইপ বন্ধ ঝালকাঠিতে হাদির পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: শুধু শুটার নয়, পুরো চক্রের বিচার দাবি ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে- এমপি জামাল কেশবপুরের পল্লীতে ভেজাল দুধ উৎপন্ন  করার অপরাধে ৬জন আটক পানছড়িতে অসহায় দিনমজুরকে টিনসেট ঘর উপহার দিলো যুবসমাজ ৭ বছরেরও প্রত্যাহার হয়নি নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুলের মামলা  আইনের শাষণ কোথায় জামালপুরের রশিদপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন

অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম বাহিনীর ২ সহযোগী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ২ সহযোগীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।

 

মঙ্গলবার (৬ মে) মংলা কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম এম হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গতকাল সোমবার (৫ মে) বিকেল ৫টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা সুন্দরবনের শিবসা নদী সংলগ্ন আদাছগী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

 

আটক ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর অন্যতম দুই সহযোগী হলেন- মো. সাদ্দাম খান (২০) এবং আব্বাস মোল্লা (৪০)। তাদের বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলায়।

 

মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম এম হারুন-অর-রশীদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই অভিযান পরিচালনা করে ২টি একনলা বন্দুক, ১টিশর্ট গান, ১টি খেলনা বন্দুক, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদি, ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২০৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৯টি দেশীয় অস্ত্র, ৪টি কুড়াল, ৭টি করাত, ১০টি রড, ৫টি হাতুড়ি, ১টি সোলার, ২৮টি মোবাইল, ১১টি ওয়াকি টকি চার্জার এবং ২টি কাঠের নৌকা উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফের সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহ করে সহযোগিতা করে আসছিল।

 

তিনি আরও বলেন, কোস্ট গার্ডের এ ধরনের সাড়াঁশি অভিযানের ফলে সুন্দরবন অঞ্চল ধীরে ধীরে জলদস্যু ও ডাকাতমুক্ত হয়ে উঠছে। এই অভিযানের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার জেলে ও মাছ শিকারীরা এখন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন।

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল কার্যক্রম এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে এসব অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ডের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অস্ত্র-গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম বাহিনীর ২ সহযোগী আটক

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫

সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ২ সহযোগীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছে কোস্টগার্ড।

 

মঙ্গলবার (৬ মে) মংলা কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম এম হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, গতকাল সোমবার (৫ মে) বিকেল ৫টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা সুন্দরবনের শিবসা নদী সংলগ্ন আদাছগী এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

 

আটক ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর অন্যতম দুই সহযোগী হলেন- মো. সাদ্দাম খান (২০) এবং আব্বাস মোল্লা (৪০)। তাদের বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলায়।

 

মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম এম হারুন-অর-রশীদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই অভিযান পরিচালনা করে ২টি একনলা বন্দুক, ১টিশর্ট গান, ১টি খেলনা বন্দুক, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদি, ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২০৪ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৯টি দেশীয় অস্ত্র, ৪টি কুড়াল, ৭টি করাত, ১০টি রড, ৫টি হাতুড়ি, ১টি সোলার, ২৮টি মোবাইল, ১১টি ওয়াকি টকি চার্জার এবং ২টি কাঠের নৌকা উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফের সঙ্গে ডাকাতি এবং ডাকাত দলকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও রসদ সরবরাহ করে সহযোগিতা করে আসছিল।

 

তিনি আরও বলেন, কোস্ট গার্ডের এ ধরনের সাড়াঁশি অভিযানের ফলে সুন্দরবন অঞ্চল ধীরে ধীরে জলদস্যু ও ডাকাতমুক্ত হয়ে উঠছে। এই অভিযানের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার জেলে ও মাছ শিকারীরা এখন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে পারছেন।

 

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল কার্যক্রম এবং বিশেষ অভিযান অব্যাহত রেখেছে, যার ফলে এসব অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে কোস্ট গার্ডের এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।