ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর বড় পারুলিয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, পুলিশ – যৌথ বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষের বিশাল গণমিছিল: দিঘলিয়ায় আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী প্রচারণা সম্পন্ন বরগুনার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচনি শেষ জনসভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী কাজে সারাদেশে নারী হেনস্তার প্রতিবাদে রামপালে বিক্ষোভ মিছিল সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না: নুরুল ইসলাম মনি বিএনপি নির্বাচিত হলে দিল্লির থেকেও বরগুনা আওয়ামী লীগ ভালো থাকবেন রাজাপুর–কাঠালিয়া আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো.লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লবের ইশতেহার, উন্নয়নের নতুন প্রতিশ্রুতি

বিগত সরকারের আমলে দেয়া গণমাধ্যমের লাইসেন্স তদন্ত করা হবে- তথ্য উপদেষ্টা

জে বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫ ৯৭ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে দেয়া গণমাধ্যমের লাইসেন্সগুলো তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। আজ (৫ মে) জাতীয় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে “ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সাংবাদিক হত্যা-নিপীড়ন” শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

মাহফুজ আলম বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে যেসব গণমাধ্যম লাইসেন্স পেয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হবে। ভুয়া সাংবাদিকদের খুঁজে বের করা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারকে প্রশ্ন করতে হবে, কারণ সরকারকে প্রশ্ন করলে সরকার আরও দায়িত্বশীল হয়। তবে প্রশ্ন আর প্রোপাগান্ডা এক জিনিস নয়।

 

তিনি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, বেশ কয়েকটি পত্রিকা এখনও ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ না লিখে ‘ক্ষমতার পটপরিবর্তন’ বলে উল্লেখ করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এত বড় একটি রাজনৈতিক ঘটনা যদি শুধুই ‘আন্দোলন’ নামে চালানো হয়, তাহলে সেটা হতাশাজনক ও গণমাধ্যমের দায়িত্বহীনতা প্রকাশ করে।

 

মাহফুজ আলম স্পষ্ট করেন যে, সরকার কোনও সংবাদমাধ্যমকে আঘাত করতে দেবে না এবং কেউ যদি হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়, সেসব মামলাও পর্যালোচনা করা হবে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যত মামলা হয়েছে, সবগুলো তদন্ত করে দেখা হবে।

 

সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির বিষয়ে তিনি বলেন, কোন সাংবাদিকের চাকরি গেলে সেটা নিয়ম মেনেই হতে হবে। হঠাৎ করে কাউকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুযোগ নেই। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, “দীপ্ত টিভি বন্ধ করেছে মালিকপক্ষ, অথচ সাধারণ মানুষ ভাবছে সরকার করেছে। এটা হঠকারিতা। সরকার চাইছে না কোনো গণমাধ্যম বন্ধ হোক। তবে সংবাদমাধ্যম কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

 

আওয়ামী লীগের শাসনামলকে ‘ফ্যাসিবাদী অধ্যায়’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, আমাদের স্মৃতিতে সবসময় ফ্যাসিবাদকে ভয়ংকরভাবে ধরে রাখতে হবে, না হলে মানুষ এই কালো অধ্যায় ভুলে যাবে। তিনি বলেন, শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার শাসনামল কোনো কালের সাথেই মিলে না। এরশাদ স্বৈরাচার হলেও শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বলা হয়, কারণ এরশাদের জনবল কম ছিল, কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকবল ছিল সবখানে—এই কারণে তারা সর্বব্যাপী ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে পেরেছে।

 

শেখ হাসিনার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আজ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী পলাতক, এর পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা। তিনি শেখ পরিবারের সর্বশেষ সদস্য যিনি পালিয়ে গেছেন। এর আগে এই পরিবারের সবাই পালিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বিগত সরকারের আমলে দেয়া গণমাধ্যমের লাইসেন্স তদন্ত করা হবে- তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:০৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে দেয়া গণমাধ্যমের লাইসেন্সগুলো তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। আজ (৫ মে) জাতীয় চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে “ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সাংবাদিক হত্যা-নিপীড়ন” শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

মাহফুজ আলম বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে যেসব গণমাধ্যম লাইসেন্স পেয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে দেখা হবে। ভুয়া সাংবাদিকদের খুঁজে বের করা হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারকে প্রশ্ন করতে হবে, কারণ সরকারকে প্রশ্ন করলে সরকার আরও দায়িত্বশীল হয়। তবে প্রশ্ন আর প্রোপাগান্ডা এক জিনিস নয়।

 

তিনি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, বেশ কয়েকটি পত্রিকা এখনও ‘জুলাই অভ্যুত্থান’ না লিখে ‘ক্ষমতার পটপরিবর্তন’ বলে উল্লেখ করছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এত বড় একটি রাজনৈতিক ঘটনা যদি শুধুই ‘আন্দোলন’ নামে চালানো হয়, তাহলে সেটা হতাশাজনক ও গণমাধ্যমের দায়িত্বহীনতা প্রকাশ করে।

 

মাহফুজ আলম স্পষ্ট করেন যে, সরকার কোনও সংবাদমাধ্যমকে আঘাত করতে দেবে না এবং কেউ যদি হয়রানিমূলক মামলার শিকার হয়, সেসব মামলাও পর্যালোচনা করা হবে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত যত মামলা হয়েছে, সবগুলো তদন্ত করে দেখা হবে।

 

সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির বিষয়ে তিনি বলেন, কোন সাংবাদিকের চাকরি গেলে সেটা নিয়ম মেনেই হতে হবে। হঠাৎ করে কাউকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার সুযোগ নেই। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, “দীপ্ত টিভি বন্ধ করেছে মালিকপক্ষ, অথচ সাধারণ মানুষ ভাবছে সরকার করেছে। এটা হঠকারিতা। সরকার চাইছে না কোনো গণমাধ্যম বন্ধ হোক। তবে সংবাদমাধ্যম কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

 

আওয়ামী লীগের শাসনামলকে ‘ফ্যাসিবাদী অধ্যায়’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে মাহফুজ আলম বলেন, আমাদের স্মৃতিতে সবসময় ফ্যাসিবাদকে ভয়ংকরভাবে ধরে রাখতে হবে, না হলে মানুষ এই কালো অধ্যায় ভুলে যাবে। তিনি বলেন, শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার শাসনামল কোনো কালের সাথেই মিলে না। এরশাদ স্বৈরাচার হলেও শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বলা হয়, কারণ এরশাদের জনবল কম ছিল, কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকবল ছিল সবখানে—এই কারণে তারা সর্বব্যাপী ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে পেরেছে।

 

শেখ হাসিনার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আজ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী পলাতক, এর পেছনে দায়ী শেখ হাসিনা। তিনি শেখ পরিবারের সর্বশেষ সদস্য যিনি পালিয়ে গেছেন। এর আগে এই পরিবারের সবাই পালিয়েছেন।