ঢাকা ০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও

দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান

জে বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাতার সফর শেষে আজ সোমবার (৫ মে) দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সফরকালে, তিনি কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর উপপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন।

 

গত শনিবার (৩ মে) সেনা প্রধান কাতার অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট মান্যবর শেখ জোয়ান বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তারা উভয় দেশের অলিম্পিক কমিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, খেলাধুলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন এবং বাংলাদেশে ‘অলিম্পিক ভিলেজ’ নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পরদিন রোববার (৪ মে) কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী মান্যবর শেখ সাউদ বিন আব্দুল রহমান বিন হাসান বিন আলি আল থানি এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মান্যবর শেখ আব্দুলআজিজ বিন ফয়সাল বিন মুহাম্মদ আল থানি-এর সঙ্গে পৃথক পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান।

 

বৈঠক সমূহে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাবনা এবং দক্ষ জনশক্তি বিনিময়সহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও সেনাবাহিনী প্রধান কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিম বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল মানাই-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আলোচনাকালে, দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার, প্রশিক্ষণ সহায়তা, যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় এবং কাতারে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের কর্মসংস্থানের বিষয়সমূহ গুরুত্ব পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান

আপডেট সময় : ১১:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

কাতার সফর শেষে আজ সোমবার (৫ মে) দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সফরকালে, তিনি কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর উপপ্রধানসহ উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠক করেন।

 

গত শনিবার (৩ মে) সেনা প্রধান কাতার অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট মান্যবর শেখ জোয়ান বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তারা উভয় দেশের অলিম্পিক কমিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, খেলাধুলা বিষয়ক প্রশিক্ষণ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কোন্নয়ন এবং বাংলাদেশে ‘অলিম্পিক ভিলেজ’ নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পরদিন রোববার (৪ মে) কাতারের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী মান্যবর শেখ সাউদ বিন আব্দুল রহমান বিন হাসান বিন আলি আল থানি এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মান্যবর শেখ আব্দুলআজিজ বিন ফয়সাল বিন মুহাম্মদ আল থানি-এর সঙ্গে পৃথক পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সেনাপ্রধান।

 

বৈঠক সমূহে সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় প্রযুক্তি নির্ভর প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাবনা এবং দক্ষ জনশক্তি বিনিময়সহ বিবিধ বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও সেনাবাহিনী প্রধান কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল জসিম বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল মানাই-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। আলোচনাকালে, দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার, প্রশিক্ষণ সহায়তা, যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষণার্থী বিনিময় এবং কাতারে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের কর্মসংস্থানের বিষয়সমূহ গুরুত্ব পায়।