ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পিরোজপুর জেলা প্রেসক্লাবের কমিটি ঘোষণা সোহেল মাহমুদ আহবায়ক ও আলিফ আহমেদ রাজীব সদস্য সচিব জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ফুলেল শুভেচ্ছা সিলেটে ‘বালু মকসুদ’ এর হয়রানিমূলক মামলা কোর্টে স্থগিত ; রায়ে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী গোপালগঞ্জে ক্লিনিকের বর্জ্যে দুর্গন্ধ: গণ-আবেদনের পর পৌরসভার অভিযান, খালে বর্জ্য ফেলার পাইপ বন্ধ ঝালকাঠিতে হাদির পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: শুধু শুটার নয়, পুরো চক্রের বিচার দাবি ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে- এমপি জামাল কেশবপুরের পল্লীতে ভেজাল দুধ উৎপন্ন  করার অপরাধে ৬জন আটক পানছড়িতে অসহায় দিনমজুরকে টিনসেট ঘর উপহার দিলো যুবসমাজ ৭ বছরেরও প্রত্যাহার হয়নি নির্যাতিত সাংবাদিক ফরিদুলের মামলা  আইনের শাষণ কোথায় জামালপুরের রশিদপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৬ উদযাপন

চৌদ্দগ্রামের মিতল্লা (ট্রেনিং সেন্টার) খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫ ১২০ বার পড়া হয়েছে
Jbangla.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো লুৎফুর রহমান রাকিব স্টাফ রিপোর্টার

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে (ট্রেনিং সেন্টার) গোমারবাড়ী-মিতল্লা খালের একাংশ অবৈধভাবে দখল করে ঘরবাড়ি ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রামরায় গ্রামের বাসিন্দা আবদুল লতিফ ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ ১৫-২০ বছর ধরে খালের দক্ষিণ অংশ দখল করে টিনশেড ঘর, টয়লেট নির্মাণ এবং গভীর নলকুপ স্থাপন করে ভোগদখল করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

সরেজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয়ভাবে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন রামরায়গ্রাম মজুমদার বাড়ীর আবদুল লতিফের ছেলে রসুল আহমদ চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার একজন কর্মকর্তা হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদে পৌর কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গত বছর বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনের অভাবে আশেপাশের এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং বন্যার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হন।

খালের আশেপাশের ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে এই খাল অবৈধভাবে দখলের কারণে সৃষ্ট সমস্যায় তারা জর্জরিত। দখলকারীর ছেলে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার কর্মকর্তা হওয়ায় বার বার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি বলে তারা উল্লেখ করেন।

 

এলাকাবাসী আরও জানান, খালটি দখলমুক্ত ও পুনঃখনন করা না হলে ভবিষ্যতে বন্যা ও জলাবদ্ধতায় তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর (‘জুলাই বিপ্লব’ নামে পরিচিত) তারা আশা করছেন, উপজেলা প্রশাসন এবার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে দেবে। এতে করে তারা আসন্ন বর্ষায় সম্ভাব্য বন্যা ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

 

ভুক্তভোগী জনগণ খালটি দ্রুত দখলমুক্ত করে পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন এর ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (পৌর প্রশাসক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেন। এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা রসুল আহম্মেদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সরকারিভাবে মেজার্মেন্ট করে বের করবে খাল কে দখল করেছে। আমার কাছে যদি সরকারী খালের জায়গা থাকে আমি সেই জায়গা ছেড়ে দেবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চৌদ্দগ্রামের মিতল্লা (ট্রেনিং সেন্টার) খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

মো লুৎফুর রহমান রাকিব স্টাফ রিপোর্টার

 

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পূর্ব পাশে (ট্রেনিং সেন্টার) গোমারবাড়ী-মিতল্লা খালের একাংশ অবৈধভাবে দখল করে ঘরবাড়ি ও স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার রামরায় গ্রামের বাসিন্দা আবদুল লতিফ ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ ১৫-২০ বছর ধরে খালের দক্ষিণ অংশ দখল করে টিনশেড ঘর, টয়লেট নির্মাণ এবং গভীর নলকুপ স্থাপন করে ভোগদখল করে আসছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

 

সরেজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয়ভাবে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাধীন রামরায়গ্রাম মজুমদার বাড়ীর আবদুল লতিফের ছেলে রসুল আহমদ চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার একজন কর্মকর্তা হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ দখল উচ্ছেদে পৌর কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গত বছর বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশনের অভাবে আশেপাশের এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং বন্যার কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হন।

খালের আশেপাশের ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে এই খাল অবৈধভাবে দখলের কারণে সৃষ্ট সমস্যায় তারা জর্জরিত। দখলকারীর ছেলে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার কর্মকর্তা হওয়ায় বার বার অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি বলে তারা উল্লেখ করেন।

 

এলাকাবাসী আরও জানান, খালটি দখলমুক্ত ও পুনঃখনন করা না হলে ভবিষ্যতে বন্যা ও জলাবদ্ধতায় তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। সম্প্রতি দেশে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর (‘জুলাই বিপ্লব’ নামে পরিচিত) তারা আশা করছেন, উপজেলা প্রশাসন এবার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে খালের স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে দেবে। এতে করে তারা আসন্ন বর্ষায় সম্ভাব্য বন্যা ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

 

ভুক্তভোগী জনগণ খালটি দ্রুত দখলমুক্ত করে পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন এর ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (পৌর প্রশাসক) ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করেন। এ বিষয়ে পৌর কর্মকর্তা রসুল আহম্মেদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সরকারিভাবে মেজার্মেন্ট করে বের করবে খাল কে দখল করেছে। আমার কাছে যদি সরকারী খালের জায়গা থাকে আমি সেই জায়গা ছেড়ে দেবো।