নরসিংদীর মাধবদীর মেহের পাড়ায় আকরাম হোসেনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আতঙ্কিত এলাকাবাসী ।
- আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫ ১১৮ বার পড়া হয়েছে

তালাত মাহামুদ বিশেষ প্রতিনিধি।নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার মেহের পাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, মাদক ব্যবসা এবং চাঁদাবাজি পরিচালনা করে আসছে ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আকরাম হোসেন। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এবং ড. মঈন খানের পরিচয় ব্যবহার করে সে তার অপকর্মের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। স্থানীয় জনগণ তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক অভিযোগ তুলেছেন।
অভিযোগ ও হত্যাকাণ্ড
সম্প্রতি আকরাম হোসেন ও তার সহযোগীরা মঞ্জুর নামে এক দোকানের কর্মচারীকে গুলি করে হত্যা করে। জানা যায়, একটি ওয়াইফাই ব্যবসা দখল নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। হত্যার সময় আকরামের হাতে অস্ত্রধারণের ছবি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আকরাম বাহিনীর অত্যাচার ভগীরথপুর মাজার, বাসস্ট্যান্ড, শেখেরচর এবং পাঁচদোনা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
পূর্বের অপরাধ
আকরামের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে একাধিক হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মাদক ও অস্ত্রসহ তাকে একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করেছে। তবুও জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তার চাঁদাবাজির কারণে মেহের পাড়ার ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েছেন। আগস্ট মাসে আকরাম ও তার সহযোগীরা কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিএনপির পদক্ষেপ
বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আকরাম হোসেনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপির সিনিয়র নেতা ড. মঈন খানের পিএস মিলটন এবং মনির খান সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করেন। তবে আকরামের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কারণে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এলাকাবাসীর দাবি
মেহের পাড়ার সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আকরাম হোসেন ও তার বাহিনীর গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এলাকার পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। মেহের পাড়ার মানুষ এখন আকরাম বাহিনীর ভয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান
মেহের পাড়ার শান্তিপ্রিয় জনগণ আকরাম হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনবে।
















