ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও

ঈদের নামাজ নিয়ে সংঘর্ষে বোমা হামলা, নিহত এক বিএনপি কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যশোরের শার্শা উপজেলায় ঈদের জামাতকে ঘিরে বিরোধের জেরে ঘটে গেছে প্রাণঘাতী বোমা হামলা। এতে আব্দুল হাই (৫০) নামের একজন বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হন মো. জিয়া (৩২) নামে অপর এক ব্যক্তি।

শনিবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুবপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন সকালে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের একটি ঈদগাহ মাঠে জামাতে অংশগ্রহণ নিয়ে বিরোধের সূচনা হয়। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগপন্থী কয়েকজনকে ঈদের নামাজে অংশ নিতে বাধা দেন বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা জামসেদ আলীর ছেলে আবু সাইদ। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন আব্দুল হাইসহ উপস্থিত বিএনপি সমর্থকরা। এর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আবু সাইদ তাঁর অনুসারীদের নিয়ে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।

রাতে ডুবপাড়া এলাকার জামতলা মোড়ে অবস্থানকালে আব্দুল হাইয়ের ওপর বোমা ছোড়েন আবু সাইদ। বিস্ফোরণে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই হামলায় আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে থাকা জিয়া নামের আরেকজন আহত হন এবং তিনি বর্তমানে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন দাবি করেন, ঈদের নামাজে অংশ নিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আবু সাইদ বিএনপির কেউ নয়, সে নিজেকে দলের সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে একজন সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত। তার পরিবারের কেউ বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল না।”

ঘটনার বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হামলায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ঈদের নামাজ নিয়ে সংঘর্ষে বোমা হামলা, নিহত এক বিএনপি কর্মী

আপডেট সময় : ০৯:২০:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

যশোরের শার্শা উপজেলায় ঈদের জামাতকে ঘিরে বিরোধের জেরে ঘটে গেছে প্রাণঘাতী বোমা হামলা। এতে আব্দুল হাই (৫০) নামের একজন বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হন মো. জিয়া (৩২) নামে অপর এক ব্যক্তি।

শনিবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ডুবপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন সকালে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের একটি ঈদগাহ মাঠে জামাতে অংশগ্রহণ নিয়ে বিরোধের সূচনা হয়। অভিযোগ উঠেছে, আওয়ামী লীগপন্থী কয়েকজনকে ঈদের নামাজে অংশ নিতে বাধা দেন বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা জামসেদ আলীর ছেলে আবু সাইদ। এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন আব্দুল হাইসহ উপস্থিত বিএনপি সমর্থকরা। এর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে আবু সাইদ তাঁর অনুসারীদের নিয়ে ঈদগাহ ত্যাগ করেন।

রাতে ডুবপাড়া এলাকার জামতলা মোড়ে অবস্থানকালে আব্দুল হাইয়ের ওপর বোমা ছোড়েন আবু সাইদ। বিস্ফোরণে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই হামলায় আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে থাকা জিয়া নামের আরেকজন আহত হন এবং তিনি বর্তমানে ওই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান লিটন দাবি করেন, ঈদের নামাজে অংশ নিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আবু সাইদ বিএনপির কেউ নয়, সে নিজেকে দলের সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে একজন সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্ত। তার পরিবারের কেউ বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল না।”

ঘটনার বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল মিয়া জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হামলায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে।