ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ ছোট্টদের আনন্দে রঙিন পরিবেশ, গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির আয়োজনে বেতাগীতে মেহেদী উৎসব

গোপালগঞ্জে টুংটাং শব্দে মুখর কামার পল্লী  

জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:১৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে কামার পল্লী তে, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পের কারিগররা। কুরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা তত বাড়ছে। হাতুড়ি এবং লোহার টুংটাং শব্দে মুখর হয়ে উঠছে কামারপাড়া। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ব্যস্ততা।

সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কুরবানী উপলক্ষে কর্মব্যস্ততা আরো বেড়েছে। পশু কোরবানির জন্য দা, ছুরি ও চাপাতি সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরি করছেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ পুরনো সরঞ্জামে শান দিয়ে নিচ্ছেন।

প্রকার ভেদে পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, দা ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, বটি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা,পশু জবাইয়ের ছুরি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

কামার পল্লীর কামার সত্য রঞ্জন দাশ জানান, এক সময় কামারদের কদর ছিল। বর্তমানে আধুনিক মেশিনের সাহায্যে যন্ত্রপাতি তৈরি হচ্ছে। এতে আমাদের কদর কমছে। সারা বছর কাজ না থাকলেও কুরবানী উপলক্ষে কর্মব্যস্ততা একটু বাড়ছে। ফলে সারা বছরই আমাদের চলতে হয়। যে কারণে অনেকেই এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। কোরবানির ঈদ আসলে বাড়তি আয়ের আশায় একটু আশাবাদী হই। এ সময় আমাদের আয় রোজগার ভালো হয়। তবে কয়লা ও লোহার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দা, বটির দাম একটু বেশি পড়ছে।

শহরের নবীনবাগের সোহেল মোল্লা জানান, আমি প্রতি বছরই কুরবানী দেই। এ বছরেও কুরবানী দিব। একটু আগেই চাপাতিতে শান দিতে এসেছি। কিন্তু আগের থেকে মজুরিটা একটু বেশি পড়ে গেলো।

কুরবানীর সরঞ্জাম কিনতে আসা শাহাবুদ্দিন সুজা, ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কামাররা তাদের মজুরি, ছুরি, দা, চাপাতির দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

গোপালগঞ্জে টুংটাং শব্দে মুখর কামার পল্লী  

আপডেট সময় : ০৫:১৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে কামার পল্লী তে, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পের কারিগররা। কুরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা তত বাড়ছে। হাতুড়ি এবং লোহার টুংটাং শব্দে মুখর হয়ে উঠছে কামারপাড়া। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে ব্যস্ততা।

সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কুরবানী উপলক্ষে কর্মব্যস্ততা আরো বেড়েছে। পশু কোরবানির জন্য দা, ছুরি ও চাপাতি সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তৈরি করছেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ পুরনো সরঞ্জামে শান দিয়ে নিচ্ছেন।

প্রকার ভেদে পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, দা ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, বটি ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা,পশু জবাইয়ের ছুরি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

কামার পল্লীর কামার সত্য রঞ্জন দাশ জানান, এক সময় কামারদের কদর ছিল। বর্তমানে আধুনিক মেশিনের সাহায্যে যন্ত্রপাতি তৈরি হচ্ছে। এতে আমাদের কদর কমছে। সারা বছর কাজ না থাকলেও কুরবানী উপলক্ষে কর্মব্যস্ততা একটু বাড়ছে। ফলে সারা বছরই আমাদের চলতে হয়। যে কারণে অনেকেই এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। কোরবানির ঈদ আসলে বাড়তি আয়ের আশায় একটু আশাবাদী হই। এ সময় আমাদের আয় রোজগার ভালো হয়। তবে কয়লা ও লোহার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দা, বটির দাম একটু বেশি পড়ছে।

শহরের নবীনবাগের সোহেল মোল্লা জানান, আমি প্রতি বছরই কুরবানী দেই। এ বছরেও কুরবানী দিব। একটু আগেই চাপাতিতে শান দিতে এসেছি। কিন্তু আগের থেকে মজুরিটা একটু বেশি পড়ে গেলো।

কুরবানীর সরঞ্জাম কিনতে আসা শাহাবুদ্দিন সুজা, ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কামাররা তাদের মজুরি, ছুরি, দা, চাপাতির দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।