ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি

জে বাংলা ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫ ১১২ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আজ (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সরকার যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করে যে, সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ধারা ১৮(১) অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এই দল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সবধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

 

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকার। ক্ষমতা হারানোর পর দলটির নেতাকর্মীরা দেশজুড়ে বিভিন্ন নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ড চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গুম, খুন, ধর্ষণ, বেআইনি আটক, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। এসব অভিযোগ দেশি ও আন্তর্জাতিক নানা প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ দেশের বিভিন্ন ফৌজদারি আদালতে বহু মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

 

সরকার মনে করে, এই মামলাগুলোর বিচারকাজে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং বিচারপ্রার্থী ও সাক্ষীদের মনে ভয়ভীতি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে দলটি রাষ্ট্রবিরোধী নানা কার্যকলাপে জড়িয়েছে। ৫ আগস্টের পর দলটির নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, উসকানিমূলক মিছিল, রাষ্ট্রবিরোধী লিফলেট বিতরণ, বিদেশে পলাতক নেতাদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান এবং ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতির মতো কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়। এর ফলে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।

 

সরকারের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ রয়েছে যে, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ সন্ত্রাসী সংগঠনের মতো বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই পরিস্থিতিতে বিচারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংগঠনগুলোর সবধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, মিছিল, অনলাইন বা গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রদান ও প্রকাশনা কার্যক্রম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি

আপডেট সময় : ০৪:০০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মে ২০২৫

আজ (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সরকার যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করে যে, সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ধারা ১৮(১) অনুযায়ী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় এই দল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সবধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

 

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী লীগ সরকার। ক্ষমতা হারানোর পর দলটির নেতাকর্মীরা দেশজুড়ে বিভিন্ন নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ড চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গুম, খুন, ধর্ষণ, বেআইনি আটক, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মানবতাবিরোধী অপরাধ। এসব অভিযোগ দেশি ও আন্তর্জাতিক নানা প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ দেশের বিভিন্ন ফৌজদারি আদালতে বহু মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

 

সরকার মনে করে, এই মামলাগুলোর বিচারকাজে বিঘ্ন সৃষ্টি এবং বিচারপ্রার্থী ও সাক্ষীদের মনে ভয়ভীতি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে দলটি রাষ্ট্রবিরোধী নানা কার্যকলাপে জড়িয়েছে। ৫ আগস্টের পর দলটির নেতাকর্মীরা আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, উসকানিমূলক মিছিল, রাষ্ট্রবিরোধী লিফলেট বিতরণ, বিদেশে পলাতক নেতাদের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান এবং ব্যক্তি ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষতির মতো কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়। এর ফলে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।

 

সরকারের কাছে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ রয়েছে যে, আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ সন্ত্রাসী সংগঠনের মতো বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই পরিস্থিতিতে বিচারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংগঠনগুলোর সবধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ছে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, মিছিল, অনলাইন বা গণমাধ্যমে বক্তব্য প্রদান ও প্রকাশনা কার্যক্রম।