ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

নড়াইলে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণ ও প্রতারণার অভিযোগ 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নড়াইল প্রতিনিধি

 

নড়াইল সদর উপজেলার আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে  গাইড বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ অভিযোগ তুলেছেন দিকদর্শন প্রকাশনীর নড়াইল জেলার সদ্য সাবেক মার্কেটিং প্রমোশন কর্মকর্তা বিল্লাল হুসাইন ।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার কাছ থেকে  শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায় ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। কথা ছিল, বিনিময়ে ওনার কলেজের ইন্টার ১ম ও ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে দিকদর্শন প্রকাশনীর ৪০০ পিচ গাইড বই  বিক্রি করে দেবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও উনি মাত্র কয়েক পিচ বই বিক্রি করান। বই বিক্রি করতে না পারায় ওনাকে দেওয়া ১০ হাজার টাকা আমি ফেরত চাই। কিন্তু উনি টাকা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। এদিকে বই বিক্রি না হওয়ায় কোম্পানি আমাকে চাকুরি থেকে অব্যহতি দিয়েছেন। ওই শিক্ষকের কারণে আমি চাকরি হারিয়েছি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি চাই, সে যেহেতু বই বিক্রি করতে পারেনি, সেহেতু আমার থেকে নেওয়া টাকা আমাকে ফেরত দিক।

তিনি আরো বলেন, এই শিক্ষক সুকৌশলে বিভিন্ন বই, গাইড কম্পানির সাথে চুক্তি করে টাকা হাতিয়ে নেন।

 

এদিকে বই বিক্রির কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায় বলেন, ‘আমার কলেজটি প্রত্যন্ত এলাকায় হওয়ায় ধীরে ধীরে বই বিক্রি হচ্ছে। এবছর না পারি সামনে বছর বই চালিয়ে দেবো। কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নাই।

তবে শিক্ষক হয়ে এভাবে গাইড বই বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুত কুমার বলেন, এমন নিয়ম নেই৷ আমিও এমন কাজ করি না। ওই গাইড কোম্পানির প্রতিনিধি চাপাচাপি করেছেন, তাই টাকাটা নিয়েছি।

 

আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেন  বলেন, গাইড বিক্রির কথা বলে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওই শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবগত নন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নড়াইলে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণ ও প্রতারণার অভিযোগ 

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫

 

নড়াইল প্রতিনিধি

 

নড়াইল সদর উপজেলার আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায়ের বিরুদ্ধে  গাইড বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ অভিযোগ তুলেছেন দিকদর্শন প্রকাশনীর নড়াইল জেলার সদ্য সাবেক মার্কেটিং প্রমোশন কর্মকর্তা বিল্লাল হুসাইন ।

 

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার কাছ থেকে  শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায় ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। কথা ছিল, বিনিময়ে ওনার কলেজের ইন্টার ১ম ও ২য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে দিকদর্শন প্রকাশনীর ৪০০ পিচ গাইড বই  বিক্রি করে দেবেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হলেও উনি মাত্র কয়েক পিচ বই বিক্রি করান। বই বিক্রি করতে না পারায় ওনাকে দেওয়া ১০ হাজার টাকা আমি ফেরত চাই। কিন্তু উনি টাকা ফেরত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। এদিকে বই বিক্রি না হওয়ায় কোম্পানি আমাকে চাকুরি থেকে অব্যহতি দিয়েছেন। ওই শিক্ষকের কারণে আমি চাকরি হারিয়েছি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমি চাই, সে যেহেতু বই বিক্রি করতে পারেনি, সেহেতু আমার থেকে নেওয়া টাকা আমাকে ফেরত দিক।

তিনি আরো বলেন, এই শিক্ষক সুকৌশলে বিভিন্ন বই, গাইড কম্পানির সাথে চুক্তি করে টাকা হাতিয়ে নেন।

 

এদিকে বই বিক্রির কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে শিক্ষক বিদ্যুত কুমার রায় বলেন, ‘আমার কলেজটি প্রত্যন্ত এলাকায় হওয়ায় ধীরে ধীরে বই বিক্রি হচ্ছে। এবছর না পারি সামনে বছর বই চালিয়ে দেবো। কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নাই।

তবে শিক্ষক হয়ে এভাবে গাইড বই বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার নিয়ম আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুত কুমার বলেন, এমন নিয়ম নেই৷ আমিও এমন কাজ করি না। ওই গাইড কোম্পানির প্রতিনিধি চাপাচাপি করেছেন, তাই টাকাটা নিয়েছি।

 

আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ লিয়াকত হোসেন  বলেন, গাইড বিক্রির কথা বলে টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ওই শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবগত নন।