ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ ছোট্টদের আনন্দে রঙিন পরিবেশ, গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির আয়োজনে বেতাগীতে মেহেদী উৎসব বেতাগীতে ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন প্রভাষক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন

কুমারটুলিতে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা প্রতিমার কাজ শেষ করার, অন্যদিকে পুজো উদ্যোক্তাদের ভীড়।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ  ২৮ শে জানুয়ারী মঙ্গলবার, কুমারটুলিতে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততার চোখে পড়ার মতো সরস্বতী প্রতিমার তাই শেষ করার জন্য, অন্যদিকে বাড়ির পুজো থেকে শুরু করে, ক্লাবের পূজা উদ্যোক্তারা ভীর জমিয়েছেন কুমারটুলিতে, এমনটাই ক্যামেরায় ধরা পরলো। কোথাও চলছে প্রতিমা কাজ শেষ করার তোরজোর, আবার কোথাও এখনো প্রতিমায় মাটি দেওয়া চলছে।

প্রতিটি কুমারটুলি শিল্পীরা জানালেন, এবারে অনেক আগে থেকেই প্রতিমার বায়না দিয়ে গেছে, কারণ তারা বায়না দেওয়ার সময় জানিয়ে গেছেন, তাদের প্রতিমা আগে দিয়ে দিতে হবে।, আবার কেউ কেউ ১লা ফেব্রুয়ারী থেকে প্রতিমা নিয়ে যাবেন, তবে বেশির ভাগই বাড়ির প্রতিমা নিয়ে যাচ্ছেন, খুব কম ক্লাবের প্রতিমা যাচ্ছে। কারণ মিসকিল্পীরা জানালেন আমাদের প্রতিমা দেশের বাইরেও যায় , তাই আমাদেরকে আগে থেকে কাজ শেষ করতে হয়।

এবারে প্রতিমার সর্বনিম্ন দাম রেখেছেন পনেরশো টাকা থেকে শুরু, এরপর ২০০০, আড়াইহাজার, পাঁচ হাজার , দশ হাজার থেকে আপার 50000 টাকা পর্যন্ত প্রতিমার মূল্য রয়েছে। তাহারা জানালেন আমাদের কিছু করার নাই, যেভাবে জিনিসের দাম বেড়ে চলেছে বাধ্য হয়েছি আমাদেরও প্রতিমার দাম বাড়াতে, তবে আমাদের কিছু কিছু পূজো উদ্যোক্তা রয়েছেন, যাহারা আমাদের কাছে ছাড়া প্রতিমা নেন না,। তাই আমরা সরস্বতী সরস্বতী প্রতিমা বিভিন্ন সাইজের করে রেখেছি।

পূজো উদ্যোক্তারা জানালেন, প্রতিবছর আমরা প্রতিমা বায়না দিতে এসে বিপদের সম্মুখীন হই, কারণ প্রতি বছরই এতটাই প্রতিমার দাম বাড়ে, যে আমাদের পছন্দ সই প্রতিমা বায়না দিতে গিয়ে অনেক বেশি বাজেট বেড়ে যায়। শুধু প্রতিমা নয় প্রতিবছর ফল মূল থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসের দাম আগুন হয়ে যায়। তবুও আমাদের পুজো করতে হয় কোনভাবে। সরস্বতী মাকে বাড়িতে আনতে হয়, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার মঙ্গল কামনায়। তবে কুমারটুলি পাড়ায় আসলে বিভিন্ন আর্টের প্রতিমা পছন্দ করে নেওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুমারটুলিতে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা প্রতিমার কাজ শেষ করার, অন্যদিকে পুজো উদ্যোক্তাদের ভীড়।

আপডেট সময় : ১০:১৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

 রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ  ২৮ শে জানুয়ারী মঙ্গলবার, কুমারটুলিতে মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততার চোখে পড়ার মতো সরস্বতী প্রতিমার তাই শেষ করার জন্য, অন্যদিকে বাড়ির পুজো থেকে শুরু করে, ক্লাবের পূজা উদ্যোক্তারা ভীর জমিয়েছেন কুমারটুলিতে, এমনটাই ক্যামেরায় ধরা পরলো। কোথাও চলছে প্রতিমা কাজ শেষ করার তোরজোর, আবার কোথাও এখনো প্রতিমায় মাটি দেওয়া চলছে।

প্রতিটি কুমারটুলি শিল্পীরা জানালেন, এবারে অনেক আগে থেকেই প্রতিমার বায়না দিয়ে গেছে, কারণ তারা বায়না দেওয়ার সময় জানিয়ে গেছেন, তাদের প্রতিমা আগে দিয়ে দিতে হবে।, আবার কেউ কেউ ১লা ফেব্রুয়ারী থেকে প্রতিমা নিয়ে যাবেন, তবে বেশির ভাগই বাড়ির প্রতিমা নিয়ে যাচ্ছেন, খুব কম ক্লাবের প্রতিমা যাচ্ছে। কারণ মিসকিল্পীরা জানালেন আমাদের প্রতিমা দেশের বাইরেও যায় , তাই আমাদেরকে আগে থেকে কাজ শেষ করতে হয়।

এবারে প্রতিমার সর্বনিম্ন দাম রেখেছেন পনেরশো টাকা থেকে শুরু, এরপর ২০০০, আড়াইহাজার, পাঁচ হাজার , দশ হাজার থেকে আপার 50000 টাকা পর্যন্ত প্রতিমার মূল্য রয়েছে। তাহারা জানালেন আমাদের কিছু করার নাই, যেভাবে জিনিসের দাম বেড়ে চলেছে বাধ্য হয়েছি আমাদেরও প্রতিমার দাম বাড়াতে, তবে আমাদের কিছু কিছু পূজো উদ্যোক্তা রয়েছেন, যাহারা আমাদের কাছে ছাড়া প্রতিমা নেন না,। তাই আমরা সরস্বতী সরস্বতী প্রতিমা বিভিন্ন সাইজের করে রেখেছি।

পূজো উদ্যোক্তারা জানালেন, প্রতিবছর আমরা প্রতিমা বায়না দিতে এসে বিপদের সম্মুখীন হই, কারণ প্রতি বছরই এতটাই প্রতিমার দাম বাড়ে, যে আমাদের পছন্দ সই প্রতিমা বায়না দিতে গিয়ে অনেক বেশি বাজেট বেড়ে যায়। শুধু প্রতিমা নয় প্রতিবছর ফল মূল থেকে শুরু করে সমস্ত জিনিসের দাম আগুন হয়ে যায়। তবুও আমাদের পুজো করতে হয় কোনভাবে। সরস্বতী মাকে বাড়িতে আনতে হয়, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার মঙ্গল কামনায়। তবে কুমারটুলি পাড়ায় আসলে বিভিন্ন আর্টের প্রতিমা পছন্দ করে নেওয়া যায়।