ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

চট্টগ্রাম জিইসি মোড়ের সেন্ট্রাল প্লাজার অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদে অভিযান

চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান
  • আপডেট সময় : ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নগরের জিইসি মোড়ে সেন্ট্রাল প্লাজার ছাদে ও দেয়ালে স্থাপিত দুটি এলইডি সাইন ও কয়েকটি বিলবোর্ড উচ্ছেদে গেলে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

এ সময় ব্যবসায়ীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান : মার্কেট খোলার দিন উচ্ছেদ কার্যক্রম চললে ক্রেতা–দর্শনার্থীদের সমস্যা হবে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেওয়া চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা ব্যবসায়ীদের জানান, এলইডি সাইন ও বিলবোর্ড স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হয়েছে। এরপর ব্যবসায়ীরা নিবৃত হলে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত অভিযান না চালিয়ে ফিরে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

 

সূত্রে জানা গেছে: এলইডি সাইন ও বিলবোর্ড স্থাপনকারী বিজ্ঞাপনী সংস্থা এ্যাডফ্রেমের প্রতিনিধি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে নিজ উদ্যোগে বিলবোর্ড ও এলইডি সাইন সরিয়ে নিতে সময় চেয়েছেন। মেয়র তাদের ২৪ ঘণ্টা সময় দেন। তাই উচ্ছেদ না করে ফিরে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অংশ নেওয়া চসিকের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।

 

সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবু জাফর সাংবাদিকদের জানান: বিলবোর্ডটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার মালিকরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজেরা সরিয়ে নিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান স্থগিত করে চলে এসেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

জানা গেছে: এডফ্রেমের মালিক হচ্ছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ–কমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু ও তার ব্যবস্থাপনা অংশীদার হচ্ছেন মুহাম্মদ হাফিজ উল্লাহ আমিন তিমুর।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ সময় বড় ক্রেন নিয়ে যাওয়া হয়। ছাদে বিলবোর্ডটির একাংশ কেটেও ফেলা হয়। কিন্তু সেন্ট্রাল প্লাজার পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বন্ধ করা ছাড়া অভিযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

 

জানা গেছে: ২০২২ সালের দিকে জিইসি মোড়ের সেন্ট্রাল প্লাজার ছাদে ও দেয়ালে এলইডি সাইন বিলবোর্ড স্থাপন করে এ্যাডফ্রেম। ২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বার্ষিক ২০ লাখ টাকায় বিলবোর্ডগুলো অনুমোদন দেয় সিটি কর্পোরেশন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৪ ফেব্রুয়ারি অনুমোদন বাতিল করে বিলবোর্ডগুলো সরিয়ে নিতে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা জানান: সেন্ট্রাল প্লাজায় ৫-৬টি অবৈধ বিলবোর্ড রয়েছে। আমরা সেগুলো অপসারণে মালিকপক্ষকে নোটিশ দিয়েছি। সেই অনুযায়ী তারা অপসারণ না করায় আমরা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানের সময় মালিকপক্ষ অপসারণে একদিনের সময় চেয়েছে। আমরাও সেই সময় দিয়েছি। পরে অপসারণ না করলে আমরা উচ্ছেদ করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চট্টগ্রাম জিইসি মোড়ের সেন্ট্রাল প্লাজার অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদে অভিযান

আপডেট সময় : ১০:০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

নগরের জিইসি মোড়ে সেন্ট্রাল প্লাজার ছাদে ও দেয়ালে স্থাপিত দুটি এলইডি সাইন ও কয়েকটি বিলবোর্ড উচ্ছেদে গেলে ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে পড়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

এ সময় ব্যবসায়ীরা ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান : মার্কেট খোলার দিন উচ্ছেদ কার্যক্রম চললে ক্রেতা–দর্শনার্থীদের সমস্যা হবে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নেতৃত্ব দেওয়া চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা ব্যবসায়ীদের জানান, এলইডি সাইন ও বিলবোর্ড স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হয়েছে। এরপর ব্যবসায়ীরা নিবৃত হলে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত অভিযান না চালিয়ে ফিরে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

 

সূত্রে জানা গেছে: এলইডি সাইন ও বিলবোর্ড স্থাপনকারী বিজ্ঞাপনী সংস্থা এ্যাডফ্রেমের প্রতিনিধি সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে যোগাযোগ করে নিজ উদ্যোগে বিলবোর্ড ও এলইডি সাইন সরিয়ে নিতে সময় চেয়েছেন। মেয়র তাদের ২৪ ঘণ্টা সময় দেন। তাই উচ্ছেদ না করে ফিরে যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অংশ নেওয়া চসিকের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা।

 

সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী আবু জাফর সাংবাদিকদের জানান: বিলবোর্ডটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার মালিকরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিজেরা সরিয়ে নিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান স্থগিত করে চলে এসেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

জানা গেছে: এডফ্রেমের মালিক হচ্ছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ–কমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু ও তার ব্যবস্থাপনা অংশীদার হচ্ছেন মুহাম্মদ হাফিজ উল্লাহ আমিন তিমুর।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১০টার দিকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ সময় বড় ক্রেন নিয়ে যাওয়া হয়। ছাদে বিলবোর্ডটির একাংশ কেটেও ফেলা হয়। কিন্তু সেন্ট্রাল প্লাজার পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বন্ধ করা ছাড়া অভিযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

 

জানা গেছে: ২০২২ সালের দিকে জিইসি মোড়ের সেন্ট্রাল প্লাজার ছাদে ও দেয়ালে এলইডি সাইন বিলবোর্ড স্থাপন করে এ্যাডফ্রেম। ২০২৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বার্ষিক ২০ লাখ টাকায় বিলবোর্ডগুলো অনুমোদন দেয় সিটি কর্পোরেশন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৪ ফেব্রুয়ারি অনুমোদন বাতিল করে বিলবোর্ডগুলো সরিয়ে নিতে সাত দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

 

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা জানান: সেন্ট্রাল প্লাজায় ৫-৬টি অবৈধ বিলবোর্ড রয়েছে। আমরা সেগুলো অপসারণে মালিকপক্ষকে নোটিশ দিয়েছি। সেই অনুযায়ী তারা অপসারণ না করায় আমরা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেছি। অভিযানের সময় মালিকপক্ষ অপসারণে একদিনের সময় চেয়েছে। আমরাও সেই সময় দিয়েছি। পরে অপসারণ না করলে আমরা উচ্ছেদ করব।