ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

গোপালগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত- ১, আহত- ১

শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
  • আপডেট সময় : ১০:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমরারসুর মোড়ে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা। শনিবার (১৮ মে ২০২৫) রাত আনুমানিক ১০টায় একটি ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সেনা সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গে থাকা বন্ধু সাকিম সরদার ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সৈনিক আব্দুর রহিম গত ১৭ মে দুই মাসের বাৎসরিক ছুটিতে বাড়িতে আসেন। পরদিন সন্ধ্যায়, অর্থাৎ ১৮ মে, তিনি বন্ধুসহ মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন এবং গোপালগঞ্জ শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। ডুমরারসুর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

 

স্থানীয়রা দ্রুত আহত সৈনিক আব্দুর রহিমকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।

 

দুর্ঘটনায় নিহত সাকিম সরদার (পিতা: হান্নান সরদার) ও আহত সৈনিক আব্দুর রহিম (পিতা: মো: খায়রুল আলম)—দুজনেই সদর উপজেলার খানার পাড় গ্রামের বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন।

 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দুর্ঘটনার সময় তাদের কারো মাথায় হেলমেট ছিল না, যা এমন প্রাণঘাতী পরিণতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাফিক সচেতনতার অভাব এবং হেলমেট না পরার প্রবণতা দেশের বহু তরুণ প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাকের খোঁজে মাঠে নেমেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই মোড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

 

এ ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়—সড়কে নিরাপত্তা মানেই জীবন বাঁচানো। হেলমেট ব্যবহার, গতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক নিয়ম মানার বিকল্প নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গোপালগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত- ১, আহত- ১

আপডেট সময় : ১০:০১:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমরারসুর মোড়ে ঘটে গেল এক হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনা। শনিবার (১৮ মে ২০২৫) রাত আনুমানিক ১০টায় একটি ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সেনা সদস্য মোঃ আব্দুর রহিম গুরুতর আহত হন এবং তার সঙ্গে থাকা বন্ধু সাকিম সরদার ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।

 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সৈনিক আব্দুর রহিম গত ১৭ মে দুই মাসের বাৎসরিক ছুটিতে বাড়িতে আসেন। পরদিন সন্ধ্যায়, অর্থাৎ ১৮ মে, তিনি বন্ধুসহ মোটরসাইকেলে ঘুরতে বের হন এবং গোপালগঞ্জ শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। ডুমরারসুর মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।

 

স্থানীয়রা দ্রুত আহত সৈনিক আব্দুর রহিমকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।

 

দুর্ঘটনায় নিহত সাকিম সরদার (পিতা: হান্নান সরদার) ও আহত সৈনিক আব্দুর রহিম (পিতা: মো: খায়রুল আলম)—দুজনেই সদর উপজেলার খানার পাড় গ্রামের বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিনের বন্ধু ছিলেন।

 

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, দুর্ঘটনার সময় তাদের কারো মাথায় হেলমেট ছিল না, যা এমন প্রাণঘাতী পরিণতির অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাফিক সচেতনতার অভাব এবং হেলমেট না পরার প্রবণতা দেশের বহু তরুণ প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত।

 

পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাকের খোঁজে মাঠে নেমেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই মোড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

 

এ ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়—সড়কে নিরাপত্তা মানেই জীবন বাঁচানো। হেলমেট ব্যবহার, গতি নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক নিয়ম মানার বিকল্প নেই।