ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

মুন্সীগঞ্জে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বে গোলাগুলিতে কিবরিয়া ও কানা জহির নিহত ২

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫ ১১২ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি – মুন্সিগঞ্জ-চাঁদপুর সীমান্তে মেঘনা নদীতীরে মাটি কেটে বিক্রির ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে কিবরিয়া মিজি ও জহির ইসলাম ওরফে কানা জহিরের গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে ২ জন নিহত হয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাসুদুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ আইয়ুব আলী (৪০) নামের আরও একজনকে গুরুতর অবস্থায় পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহতের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কালিরচর এলাকায় নদীতে গোলাগুলির শব্দ পান তারা।

পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিহত দুইজনের মরদেহ নিয়ে আসে স্বজনরা।

নিহতরা হলেন, মুন্সিগঞ্জ সদরের আধারা ইউনিয়নের ভাষানচর এলাকার কামাল ফকিরের পুত্র রাসেল ফকির (৩৩) ও চাঁদপুরের মতলব থানার তুহিন (২৯)।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কিবরিয়া মিজি ও জহির ইসলাম ওরফে কানা জহির দুজনেই মুন্সিগঞ্জ সদরের আধারা ইউনিয়নের কালিরচর এলাকার বাসিন্দা। মেঘনা নদীতে জেগে উঠা চরের মাটি কেটে বিক্রির ব্যবসা নিয়ে এই দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোঁঁধ চলছে। প্রায়ই তারা রাতের বেলা নদীতে গোলাগুলিতে জড়ালেও নৌ পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

 

পুলিশ জানায়, চাঁদাবাজি, বালুদস্যুতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে অভিযুক্ত ২ জনের বিরুদ্ধে।

 

নিহতের মা আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘মাটি কাটা নিয়ে কিবরিয়া মিজি আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। আমার ছেলে একজন সাধারণ জেলে।’

 

অভিযোগের বিষয়ে কিবরিয়া মিজি ও জহির ইসলাম ওরফে কানা জহিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

 

মুন্সিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘শুনেছি নদীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। মরদেহগুলো মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল আমরা করবো। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নিবে নৌ পুলিশ।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মুন্সীগঞ্জে বালু উত্তোলন নিয়ে দ্বন্দ্বে গোলাগুলিতে কিবরিয়া ও কানা জহির নিহত ২

আপডেট সময় : ০৮:২৫:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৫

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি – মুন্সিগঞ্জ-চাঁদপুর সীমান্তে মেঘনা নদীতীরে মাটি কেটে বিক্রির ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে কিবরিয়া মিজি ও জহির ইসলাম ওরফে কানা জহিরের গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে ২ জন নিহত হয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাসুদুর রহমান জানান, গুলিবিদ্ধ আইয়ুব আলী (৪০) নামের আরও একজনকে গুরুতর অবস্থায় পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহতের পরিবার জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কালিরচর এলাকায় নদীতে গোলাগুলির শব্দ পান তারা।

পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিহত দুইজনের মরদেহ নিয়ে আসে স্বজনরা।

নিহতরা হলেন, মুন্সিগঞ্জ সদরের আধারা ইউনিয়নের ভাষানচর এলাকার কামাল ফকিরের পুত্র রাসেল ফকির (৩৩) ও চাঁদপুরের মতলব থানার তুহিন (২৯)।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, কিবরিয়া মিজি ও জহির ইসলাম ওরফে কানা জহির দুজনেই মুন্সিগঞ্জ সদরের আধারা ইউনিয়নের কালিরচর এলাকার বাসিন্দা। মেঘনা নদীতে জেগে উঠা চরের মাটি কেটে বিক্রির ব্যবসা নিয়ে এই দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোঁঁধ চলছে। প্রায়ই তারা রাতের বেলা নদীতে গোলাগুলিতে জড়ালেও নৌ পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

 

পুলিশ জানায়, চাঁদাবাজি, বালুদস্যুতাসহ একাধিক মামলা রয়েছে অভিযুক্ত ২ জনের বিরুদ্ধে।

 

নিহতের মা আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘মাটি কাটা নিয়ে কিবরিয়া মিজি আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। আমার ছেলে একজন সাধারণ জেলে।’

 

অভিযোগের বিষয়ে কিবরিয়া মিজি ও জহির ইসলাম ওরফে কানা জহিরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

 

মুন্সিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘শুনেছি নদীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ হয়েছে। মরদেহগুলো মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল আমরা করবো। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নিবে নৌ পুলিশ।’