ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

নরসিংদী’র মাধবদীতে সুতার সিন্ডিকেট ! ক্ষতির মুখে সাধারণ টেক্সটাইল ব্যবসায়িরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫ ১২৮ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ক্রাইম রিপোর্টারঃ– নরসিংদী’র দক্ষিণাঞ্চল প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার খ্যাত মাধবদী বাবুর হাট এলাকায় সুতা ব্যবসার অন্তরালে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যা কি-না স্থানীয় ব্যবসায়িদের মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন আনন্দ ইয়াং ট্রেডিং-এর মালিক বিনয় দেবনাথ এবং তার সাথে সিন্ডিকেটে যুক্ত আছেন মাখন , সারোয়ার , জহির , রঞ্জিত , দোলন এবং জয়নাল হাজি। এক সময়ের সাধারণ কর্মচারী বিনয় দেবনাথ তার সু-চতুর পরিকল্পনা ও অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত সুতার দাম বাড়িয়ে কমিয়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পাওয়ার লুমের কাপড়ের দাম সামান্য বাড়লেই তারা সুতার দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে সাধারণ টেক্সটাইল মিল মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

 

সাধারণ ব্যবসায়িদের দুরাবস্থাঃ-

 

সুতার সিন্ডিকেটের কারণে মাধবদীর অনেক টেক্সটাইল মালিক ইতোমধ্যে ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা বাধ্য হয়ে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন অথবা লোকশান দিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিনয় , মাখন ও তাদের সহযোগীরা সাধারণ ব্যবসায়িদের রক্ত চুষে নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধিতে ব্যস্ত।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য টেক্সটাইল ব্যবসায়িরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তবে এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। পাওয়ার লুম ব্যবসায়ি নয়ন মোল্লা , রবিউল ইসলাম , মোহাম্মদ আলী তারা জানান সুতা ব্যবসায়িদের সিন্ডিকেটের কারণে তারা পথে বসে গেছেন। কাপড়ের দাম একটু ভাল হলে তারা সুতার দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেন।

এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে। যদি সঠিক নিয়মে অপব্যবহার বন্ধ করা যায় এবং কালোবাজারিদের নিয়ন্ত্রণ করা হয় তবে সরকার বিপুল রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে। সিন্ডিকেট বন্ধ হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ব্যবসায়িরা লাভবান হবেন।

সিন্ডিকেটের মূল হোতা বিনয় দেবনাথ , আনন্দ ইয়াং ট্রেডিং-এর মালিক যিনি মূল সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন। মাখন ও দোলন বিনয়ের ডানহাত যারা বাজার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন।

জহির , রঞ্জিত এবং জয়নাল হাজি স্থানীয় পর্যায়ে সিন্ডিকেট কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মাধবদীর সুতার সিন্ডিকেট শুধু স্থানীয় ব্যবসায়িদের নয় বরং দেশের অর্থনীতিকেও ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা এই সিন্ডিকেটের শিকার হয়ে পথে বসেছেন আর অসাধু ব্যবসায়িরা হয়েছেন আঙুল ফুলে কলাগাছ।

শীঘ্রই আসছে অনুসন্ধানের পর পর্ব- ( ২ ) দুই

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নরসিংদী’র মাধবদীতে সুতার সিন্ডিকেট ! ক্ষতির মুখে সাধারণ টেক্সটাইল ব্যবসায়িরা

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

ক্রাইম রিপোর্টারঃ– নরসিংদী’র দক্ষিণাঞ্চল প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার খ্যাত মাধবদী বাবুর হাট এলাকায় সুতা ব্যবসার অন্তরালে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যা কি-না স্থানীয় ব্যবসায়িদের মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলেছে। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন আনন্দ ইয়াং ট্রেডিং-এর মালিক বিনয় দেবনাথ এবং তার সাথে সিন্ডিকেটে যুক্ত আছেন মাখন , সারোয়ার , জহির , রঞ্জিত , দোলন এবং জয়নাল হাজি। এক সময়ের সাধারণ কর্মচারী বিনয় দেবনাথ তার সু-চতুর পরিকল্পনা ও অবৈধ ব্যবসার মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।

অসাধু ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমত সুতার দাম বাড়িয়ে কমিয়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। পাওয়ার লুমের কাপড়ের দাম সামান্য বাড়লেই তারা সুতার দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে সাধারণ টেক্সটাইল মিল মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

 

সাধারণ ব্যবসায়িদের দুরাবস্থাঃ-

 

সুতার সিন্ডিকেটের কারণে মাধবদীর অনেক টেক্সটাইল মালিক ইতোমধ্যে ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তারা বাধ্য হয়ে কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন অথবা লোকশান দিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন। অপরদিকে বিনয় , মাখন ও তাদের সহযোগীরা সাধারণ ব্যবসায়িদের রক্ত চুষে নিজেদের সম্পদ বৃদ্ধিতে ব্যস্ত।

এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য টেক্সটাইল ব্যবসায়িরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তবে এখনো পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। পাওয়ার লুম ব্যবসায়ি নয়ন মোল্লা , রবিউল ইসলাম , মোহাম্মদ আলী তারা জানান সুতা ব্যবসায়িদের সিন্ডিকেটের কারণে তারা পথে বসে গেছেন। কাপড়ের দাম একটু ভাল হলে তারা সুতার দাম দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেন।

এই সিন্ডিকেটের কারণে সরকারের রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে। যদি সঠিক নিয়মে অপব্যবহার বন্ধ করা যায় এবং কালোবাজারিদের নিয়ন্ত্রণ করা হয় তবে সরকার বিপুল রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে। সিন্ডিকেট বন্ধ হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ব্যবসায়িরা লাভবান হবেন।

সিন্ডিকেটের মূল হোতা বিনয় দেবনাথ , আনন্দ ইয়াং ট্রেডিং-এর মালিক যিনি মূল সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন। মাখন ও দোলন বিনয়ের ডানহাত যারা বাজার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন।

জহির , রঞ্জিত এবং জয়নাল হাজি স্থানীয় পর্যায়ে সিন্ডিকেট কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

মাধবদীর সুতার সিন্ডিকেট শুধু স্থানীয় ব্যবসায়িদের নয় বরং দেশের অর্থনীতিকেও ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা এই সিন্ডিকেটের শিকার হয়ে পথে বসেছেন আর অসাধু ব্যবসায়িরা হয়েছেন আঙুল ফুলে কলাগাছ।

শীঘ্রই আসছে অনুসন্ধানের পর পর্ব- ( ২ ) দুই