৭ই মার্চ উপলক্ষে বেতাগী সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন
- আপডেট সময় : ০২:২৩:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

দেশের উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগীতে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে বরগুনার বেতাগীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার দুপুরে বেতাগী সরকারি কলেজ চত্বরে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে এ পতাকা উত্তোলন করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেতাগী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান মুসার নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী কলেজ ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা ও ছাত্রলীগের দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৭ মার্চ উপলক্ষে এই প্রথমবারের মতো বেতাগী সরকারি কলেজ এলাকায় প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পতাকা উত্তোলন করতে দেখা গেছে। পতাকা উত্তোলনের পর মেহেদী হাসান মুসা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও আপলোড করেন।
ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘আজ ৭ মার্চ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের দিন। আমি ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে বেতাগী সরকারি কলেজে ছাত্রলীগের পতাকা উত্তোলন করলাম। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।’
এ বিষয়ে কথা বলতে মেহেদী হাসান মুসার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ওপর ভিত্তি করেই এই দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এবং দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। সেই ভাষণের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই বেতাগী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ–অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতনের পর বেতাগী আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করে তালাবদ্ধ করা হয়। এর পর থেকে আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীরা আত্মগোপনে ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এসব নেতা-কর্মীদের অনেকেই আবার সরব হয়েছেন।










