ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

উপজেলা কার্যালয়ের পর এবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি

বেতাগী বরগুনা
  • আপডেট সময় : ১২:১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে বঙ্গবন্ধু ও হাসিনার ছবি টাঙানোর পর এবারে উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মিরা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে ভিডিওতে দেখা যায়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর পরিত্যক্ত থাকা উপজেলার বদনীখালী এলাকায় অবস্থিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা হাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতা নেতা দলীয় কার্যালয়ের প্রবেশ করেন। তাঁরা কার্যালয়ের ভেতরে দেয়ালে প্রথমে শেখ হাসিনার ছবি, এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছবি টাঙান। এরপর দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

শহীদুল ইসলাম নামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ষ্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, এই ঘরটা আমাদের প্রানের স্পন্দন। এটি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়। এই কার্যালয়টি ২০১১-২০১২ সালে প্রয়াত সাংসদ আলহাজ্ব গোলাম সবুর টুলু মহোদয়ের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মাণ করা হয়েছিল। সকল মুজিব প্রেমিক লোকগুলো এই ঘরে সমবেত হতো। এখানে আওয়ামী লীগ আর বিএনপির ভিন্নতা ছিল না। আমরা সকলে দলমতের উপরে স্থানীয় ও আত্মিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতাম। দলীয় ভেদাভেদ ছিলনা বললেই চলে। কিন্ত ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের সহযোগিতায় জঙ্গি ইউনুস ও জামাত শিবিরের মেটিকুলাস ডিজাইনে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে গুটি কয়েক বিপদগামী বিএনপিপন্থী লোক (যাদেরকে আমরা কখনো ইউনিয়ন বিএনপিতে দেখিনি) আমাদের দলীয় অফিসে দুই দফা হামলা ও ভাঙ্গচুর চালায়। মাঝখানে আমার ভাই আলমগীর হোসেন ভাঙ্গা পার্টি অফিসের দরজা জানালা ঠিক করলে আবারো বিএনপির ছেলেরা তালা লাগিয়ে দেয়। দীর্ঘ ১৮ মাস পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ছবি এবং প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টাঙ্গিয়ে অফিস খোলা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বেতাগী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় নেতারা দলীয় কার্যালয় নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এত দিন দেশে কোনো গণতান্ত্রিক সরকার ছিল না, তাই দলীয় কার্যালয়ে যেতে পারেননি নেতা–কর্মীরা। এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে , তাই দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনের বেলা বেতাগী পৌর মার্কেট এলাকায় অবস্থিত পরিত্যক্ত থাকা স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ছাত্রলীগের নেতারা প্রবেশ করে একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙান। ছবি টাঙানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙচুর করে ছবি সরিয়ে ও পুড়ে ফেলে ছাত্র-জনতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

উপজেলা কার্যালয়ের পর এবার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি

আপডেট সময় : ১২:১২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে বঙ্গবন্ধু ও হাসিনার ছবি টাঙানোর পর এবারে উপজেলার বুড়ামজুমদার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মিরা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে ভিডিওতে দেখা যায়, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর পরিত্যক্ত থাকা উপজেলার বদনীখালী এলাকায় অবস্থিত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা হাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কিছু নেতা নেতা দলীয় কার্যালয়ের প্রবেশ করেন। তাঁরা কার্যালয়ের ভেতরে দেয়ালে প্রথমে শেখ হাসিনার ছবি, এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছবি টাঙান। এরপর দলীয় কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন ও সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

শহীদুল ইসলাম নামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ষ্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, এই ঘরটা আমাদের প্রানের স্পন্দন। এটি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়। এই কার্যালয়টি ২০১১-২০১২ সালে প্রয়াত সাংসদ আলহাজ্ব গোলাম সবুর টুলু মহোদয়ের আর্থিক সহযোগিতায় নির্মাণ করা হয়েছিল। সকল মুজিব প্রেমিক লোকগুলো এই ঘরে সমবেত হতো। এখানে আওয়ামী লীগ আর বিএনপির ভিন্নতা ছিল না। আমরা সকলে দলমতের উপরে স্থানীয় ও আত্মিক সম্পর্ককে গুরুত্ব দিতাম। দলীয় ভেদাভেদ ছিলনা বললেই চলে। কিন্ত ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের সহযোগিতায় জঙ্গি ইউনুস ও জামাত শিবিরের মেটিকুলাস ডিজাইনে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে গুটি কয়েক বিপদগামী বিএনপিপন্থী লোক (যাদেরকে আমরা কখনো ইউনিয়ন বিএনপিতে দেখিনি) আমাদের দলীয় অফিসে দুই দফা হামলা ও ভাঙ্গচুর চালায়। মাঝখানে আমার ভাই আলমগীর হোসেন ভাঙ্গা পার্টি অফিসের দরজা জানালা ঠিক করলে আবারো বিএনপির ছেলেরা তালা লাগিয়ে দেয়। দীর্ঘ ১৮ মাস পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ছবি এবং প্রিয় নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টাঙ্গিয়ে অফিস খোলা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বেতাগী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থানীয় নেতারা দলীয় কার্যালয় নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এত দিন দেশে কোনো গণতান্ত্রিক সরকার ছিল না, তাই দলীয় কার্যালয়ে যেতে পারেননি নেতা–কর্মীরা। এখন একটি গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে , তাই দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনের বেলা বেতাগী পৌর মার্কেট এলাকায় অবস্থিত পরিত্যক্ত থাকা স্থানীয় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ছাত্রলীগের নেতারা প্রবেশ করে একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙান। ছবি টাঙানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভাঙচুর করে ছবি সরিয়ে ও পুড়ে ফেলে ছাত্র-জনতা।