ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

মানিকগঞ্জে অতিথি পাখির পদচারণায় মুখরিত ঘিওর ও শিবালয়

মোঃ শফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার(বাংলাদেশ
  • আপডেট সময় : ০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

পৃথিবীতে প্রায় ৫ লাখ প্রজাতির পাখি আছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশেষজ্ঞগণ।

 

এসব পাখিদের মধ্যে অনেক প্রজাতির পাখি বছরের একটি নিদিষ্ট সময় শীত মৌসুমে বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান।

নিজের দেশে যখন বরফ জমে যায় তখন তাদের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায়।

ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশের শীতকালীন সময়ে তাদের জন্য একবারে উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশের জন্য আরামদায়ক ও নিরাপদ বাসযোগ্য মনে করে। আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় প্রতিবছরের ঠিক এই সময়ে অসংখ্য প্রজাতির অতিথি পাখিগুলো বাংলাদেশে পাড়ি জমান।

শুধু ইউরোপ আর এশিয়ায় প্রায় ৬০০ প্রজাতির অতিথি পাখি রয়েছে। এসব পাখি আমাদের দেশে প্রতি বছর বেড়াতে আসে। প্রতি বছরের মত এবারও বাতাসে শীতের ছোঁয়া লাগতেই অতিথি পাখির আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে ।

শীত আসলে লক্ষ লক্ষ মাইল দূর থেকে, উড়ে আসে অতিথি পাখি। এসব পাখি বাংলাদেশ বিভিন্ন নদীর পাড়, হাওরাঞ্চলে, বিভিন্ন বিল এসে আশ্রয় গ্রহণ করে। তেমন মানিকগঞ্জ জেলা ঘিওর ও শিবালয় উপজেলার নদীর পাড়ে এখন অতীত পাখির বিচর, ও কিচিরমিচির শব্দ, ঝাঁক বেঁধে ঘুড়ে বেড়াতে দেখা যায়।

লেঞ্জা, কুন্তি হাঁস, জিরিয়া হাঁস, নীলশির, গ্যাডওয়াল, লালশির, পাতারি হাঁস, বামনীয়া, ভুটি হাঁস, কালো হাঁস, চখা-চখি, বালি হাঁস, বড় সরালী, ছোট সরালী, রাজ হাঁস, কানি বক, ধূসর বক, গো বক, সাদা বক, ছোট বক, মাঝলা বক, কালেম বা কায়েন, জল ময়ূর, ডুবুরি, খোপা ডুবুরি, ছোট পানকৌড়ি, বড় পানকৌড়ি, শামুক ভাঙ্গা বা শামুক খোলা, কালো কুট, কাদা খোঁচা বা চ্যাগা, জলের কাদাখোঁচা পাখি, ছোট জিরিয়া, বাটান, চা পাখি, সবুজ পা, লাল পা পিও, লাল লতিফা বা হটটিটি, গঙ্গা কবুতর, কাল মাখা গঙ্গা কবুতর, রাজসরালি, পিন্টেল, পাতিসরালি, বালিহাঁস, ল্যাঞ্জাহাঁস, সাদাবক, দলপিপি, পানমুরগি, কাস্তেচড়া, বেগুনিকালেম, পানকৌড়ি, ঈগল প্রভৃতি।

প্রতিদিন বিকালে পাখি প্রেমিকরা ঐ সব পাখি দেখতে ভীড় জমায়। শীত মৌসুমে অতিথি পাখির আগমনকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা

বন ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অতিথী পাখিদের সংরক্ষণ,

তাদের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে সাধারণ মানুষের অবহিতকরণ সহ কেউ যেন পাখি শিকার করতে পারে সেই দিকে কঠোর নজরদারি এছাড়াও বিভিন্ন ফেস্টুন, ব্যনার, সহ নানা ধরনের প্রচারণা চালানো সহ গুরুত্বপূর্ণ ও দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতিথি পাখি আমাদের অমূল্য সম্পদ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য অতীত পাখি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাই আসুন, আমরা অতিথি পাখিদের হৃদয়ের উষ্ণ অভিনন্দন জানাই এবং তাদেরকে ভালবাসি। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।

অতিথি পাখি শিকার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ সকলের সোচ্চার থাকি।

বর্তমান বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশ পাখি রক্ষা ও সংরক্ষণ জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কারন আগের চেয়ে পাখির সংখ্যা অনেক কমে গেছে বলে বিজ্ঞানিরা পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী স্পষ্ট করেছেন।

তাই প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় অতিথি পাখি সহ সকল প্রকার পাখি সংরক্ষণ ও রক্ষা করা প্রতিটি মানুষের জন্য নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। আসুন আমরা পাখিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একাত্মতা ঘোষণা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মানিকগঞ্জে অতিথি পাখির পদচারণায় মুখরিত ঘিওর ও শিবালয়

আপডেট সময় : ০৭:০০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

 

 

পৃথিবীতে প্রায় ৫ লাখ প্রজাতির পাখি আছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশেষজ্ঞগণ।

 

এসব পাখিদের মধ্যে অনেক প্রজাতির পাখি বছরের একটি নিদিষ্ট সময় শীত মৌসুমে বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান।

নিজের দেশে যখন বরফ জমে যায় তখন তাদের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায়।

ঠিক সেই সময়ে বাংলাদেশের শীতকালীন সময়ে তাদের জন্য একবারে উপযোগী ও অনুকূল পরিবেশের জন্য আরামদায়ক ও নিরাপদ বাসযোগ্য মনে করে। আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় প্রতিবছরের ঠিক এই সময়ে অসংখ্য প্রজাতির অতিথি পাখিগুলো বাংলাদেশে পাড়ি জমান।

শুধু ইউরোপ আর এশিয়ায় প্রায় ৬০০ প্রজাতির অতিথি পাখি রয়েছে। এসব পাখি আমাদের দেশে প্রতি বছর বেড়াতে আসে। প্রতি বছরের মত এবারও বাতাসে শীতের ছোঁয়া লাগতেই অতিথি পাখির আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে ।

শীত আসলে লক্ষ লক্ষ মাইল দূর থেকে, উড়ে আসে অতিথি পাখি। এসব পাখি বাংলাদেশ বিভিন্ন নদীর পাড়, হাওরাঞ্চলে, বিভিন্ন বিল এসে আশ্রয় গ্রহণ করে। তেমন মানিকগঞ্জ জেলা ঘিওর ও শিবালয় উপজেলার নদীর পাড়ে এখন অতীত পাখির বিচর, ও কিচিরমিচির শব্দ, ঝাঁক বেঁধে ঘুড়ে বেড়াতে দেখা যায়।

লেঞ্জা, কুন্তি হাঁস, জিরিয়া হাঁস, নীলশির, গ্যাডওয়াল, লালশির, পাতারি হাঁস, বামনীয়া, ভুটি হাঁস, কালো হাঁস, চখা-চখি, বালি হাঁস, বড় সরালী, ছোট সরালী, রাজ হাঁস, কানি বক, ধূসর বক, গো বক, সাদা বক, ছোট বক, মাঝলা বক, কালেম বা কায়েন, জল ময়ূর, ডুবুরি, খোপা ডুবুরি, ছোট পানকৌড়ি, বড় পানকৌড়ি, শামুক ভাঙ্গা বা শামুক খোলা, কালো কুট, কাদা খোঁচা বা চ্যাগা, জলের কাদাখোঁচা পাখি, ছোট জিরিয়া, বাটান, চা পাখি, সবুজ পা, লাল পা পিও, লাল লতিফা বা হটটিটি, গঙ্গা কবুতর, কাল মাখা গঙ্গা কবুতর, রাজসরালি, পিন্টেল, পাতিসরালি, বালিহাঁস, ল্যাঞ্জাহাঁস, সাদাবক, দলপিপি, পানমুরগি, কাস্তেচড়া, বেগুনিকালেম, পানকৌড়ি, ঈগল প্রভৃতি।

প্রতিদিন বিকালে পাখি প্রেমিকরা ঐ সব পাখি দেখতে ভীড় জমায়। শীত মৌসুমে অতিথি পাখির আগমনকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা

বন ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অতিথী পাখিদের সংরক্ষণ,

তাদের জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে সাধারণ মানুষের অবহিতকরণ সহ কেউ যেন পাখি শিকার করতে পারে সেই দিকে কঠোর নজরদারি এছাড়াও বিভিন্ন ফেস্টুন, ব্যনার, সহ নানা ধরনের প্রচারণা চালানো সহ গুরুত্বপূর্ণ ও দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতিথি পাখি আমাদের অমূল্য সম্পদ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য অতীত পাখি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। তাই আসুন, আমরা অতিথি পাখিদের হৃদয়ের উষ্ণ অভিনন্দন জানাই এবং তাদেরকে ভালবাসি। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।

অতিথি পাখি শিকার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ সকলের সোচ্চার থাকি।

বর্তমান বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশ পাখি রক্ষা ও সংরক্ষণ জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কারন আগের চেয়ে পাখির সংখ্যা অনেক কমে গেছে বলে বিজ্ঞানিরা পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী স্পষ্ট করেছেন।

তাই প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় অতিথি পাখি সহ সকল প্রকার পাখি সংরক্ষণ ও রক্ষা করা প্রতিটি মানুষের জন্য নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। আসুন আমরা পাখিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে একাত্মতা ঘোষণা করি।