ঢাকা ১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শালিণ্য’র সভাপতি মাহফুজা খানম, ৮ম বারের মত সম্পাদক কিশোর বালা বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় মির্জাগঞ্জ ইঞ্জিনিয়ার্স ফ্যামিলির নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি শাওন ও সম্পাদক তারেক মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে খেলাধুলার বিকল্প নেই,মোঃ ফজলুল করিম মিঠু মিয়া স্থগিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে —কার্নিভাল উদ্বোধনে চিফ হুইপ বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বেতাগীতে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির জন্মদিন পালিত বরগুনায় ‘সাই-ম্যাজিক কার্নিভাল’ উদ্বোধন করলেন চিফ হুইপ মনি সরকার ভাল ভাল করছে বলেই বিরোধী দল সমালোচনা করারও সুযোগ পাচ্ছে না: চীফ হুইপ

দুমকি উপজেলায়, জনবল সংকটে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কার্যক্রম স্থবির

জাকির হোসেন হাওলাদার। দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫ ৪৮ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

জাকির হোসেন হাওলাদার। দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

 

 

 

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে তীব্র জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা, টিকাদান, রোগ-নিয়ন্ত্রণ ও মাঠ পর্যায়ের সেবা কার্যক্রমে চরম স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একজন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার ওপর পুরো দপ্তরের দায়িত্ব চাপায় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন খামারই ও পশু পালনকারীরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, গরু-ছাগলের রোগ দেখা দিলেও দ্রুত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না, এতে চাষাবাদ ও ক্ষুদ্র খামারের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে যেখানে একজন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, দুইজন ভেটেরিনারি সার্জন, একজন ফার্মাসিস্ট, দুইজন মাঠ কর্মী ও সহায়ক জনবল থাকার কথা-সেখানে বর্তমানে দায়িত্ব পালনে আছেন মাত্র একজন ভেটেরিনারি সার্জন ও একজন সহকারী।জরুরি রোগ-নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি, পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর পরিদর্শনসহ অধিকাংশ সেবা নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে শীত কালকেন্দ্রিক বিভিন্ন সংক্রামক রোগের সময় মাঠ পর্যায়ে টিম না থাকায় খামারিদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

আলমাছ হাওলাদার নামের গরু খামারই জানান, গরুতে হঠাৎ জ্বর এলে ডাক্তার ডাকতে গেলে কাউকে পাওয়া যায় না। কখনো ফোন ধরেন, কখনো ধরেন না। এক উপজেলায় দুই-তিনজন ডাক্তার না থাকলে আমরা কিভাবে চলব। একই অভিযোগ তোলেন পোল্ট্রি খামারই ইলিয়াস হোসেন। তার ভাষায়, মুরগিতে রোগ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুব জরুরি। কিন্তু চিকিৎসা না পেয়ে অনেক সময় ক্ষতি হয়ে যায়।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, জনবল সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি কাজ সামলাচ্ছেন। তিনি বলেন, দপ্তরে জনবল না থাকায় মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সীমিত জনবল নিয়ে আমরা সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানান, জেলার সব কয়টি উপজেলায় এমন সংকট রয়েছে। শূন্যপদ পূরণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের সার্কুলার হয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেবা কাঠামো স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।। #

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দুমকি উপজেলায়, জনবল সংকটে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কার্যক্রম স্থবির

আপডেট সময় : ০৪:১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

 

জাকির হোসেন হাওলাদার। দুমকী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

 

 

 

পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে তীব্র জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা, টিকাদান, রোগ-নিয়ন্ত্রণ ও মাঠ পর্যায়ের সেবা কার্যক্রমে চরম স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে একজন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার ওপর পুরো দপ্তরের দায়িত্ব চাপায় সেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়ছেন খামারই ও পশু পালনকারীরা।স্থানীয়দের অভিযোগ, গরু-ছাগলের রোগ দেখা দিলেও দ্রুত সেবা পাওয়া যাচ্ছে না, এতে চাষাবাদ ও ক্ষুদ্র খামারের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে যেখানে একজন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, দুইজন ভেটেরিনারি সার্জন, একজন ফার্মাসিস্ট, দুইজন মাঠ কর্মী ও সহায়ক জনবল থাকার কথা-সেখানে বর্তমানে দায়িত্ব পালনে আছেন মাত্র একজন ভেটেরিনারি সার্জন ও একজন সহকারী।জরুরি রোগ-নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি, পোল্ট্রি ও গবাদিপশুর পরিদর্শনসহ অধিকাংশ সেবা নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা যাচ্ছে না। বিশেষ করে শীত কালকেন্দ্রিক বিভিন্ন সংক্রামক রোগের সময় মাঠ পর্যায়ে টিম না থাকায় খামারিদের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা বাড়ছে।

আলমাছ হাওলাদার নামের গরু খামারই জানান, গরুতে হঠাৎ জ্বর এলে ডাক্তার ডাকতে গেলে কাউকে পাওয়া যায় না। কখনো ফোন ধরেন, কখনো ধরেন না। এক উপজেলায় দুই-তিনজন ডাক্তার না থাকলে আমরা কিভাবে চলব। একই অভিযোগ তোলেন পোল্ট্রি খামারই ইলিয়াস হোসেন। তার ভাষায়, মুরগিতে রোগ দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া খুব জরুরি। কিন্তু চিকিৎসা না পেয়ে অনেক সময় ক্ষতি হয়ে যায়।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. মো. আলাউদ্দিন জানান, জনবল সংকটের কারণে তারা বাধ্য হয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জরুরি কাজ সামলাচ্ছেন। তিনি বলেন, দপ্তরে জনবল না থাকায় মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত নজরদারী করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে সীমিত জনবল নিয়ে আমরা সাধ্যমতো সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান জানান, জেলার সব কয়টি উপজেলায় এমন সংকট রয়েছে। শূন্যপদ পূরণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে শূন্য পদে জনবল নিয়োগের সার্কুলার হয়েছে। নিয়োগ সম্পন্ন হলেই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেবা কাঠামো স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।। #