ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন আধুনিক ব্যাংকিং ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধন তথ্য চাওয়ায় ভাণ্ডারিয়ায় দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করলেন ফায়ার স্টেশন কর্মকর্তা শিক্ষা বঞ্চিত বেদে শিশুদের স্বপ্ন দেখালো শালিণ্য’র স্যাটেলাইট স্কুল আওরাবুনিয়া বাজার কমিটির উদ্যোগে বার্ষিক বনভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজাপুরে খাল পুনঃখননে অনিয়ম: পরিদর্শনে গিয়ে অসঙ্গতি পেলেন ইউএনও

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, প্রাণনাশের হুমকিতে তরুণের পরিবার

মোঃ মিঠু মিয়া, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের ডাকাতিয়ার চর এলাকায় এক তরুণের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ আনার আশঙ্কায় স্থানীয়ভাবে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণ মোঃ শান্ত মিয়া (১৭) তার মামা মোঃ চান মিয়ার মাধ্যমে ফুলছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি প্রতিপক্ষ চক্র পরিকল্পিতভাবে শান্ত মিয়া ও তার পরিবার কে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানি করতে এই ধরনের চক্রান্তে জড়িয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—মোঃ হবিবর রহমান (৫৫), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩৫), মোঃ ছাইদুর রহমান (৩৪), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৮), মোঃ মমিন মিয়া (২২), মোছাঃ খাদিজা বেগম (২৩) ও মোছাঃ ময়না বেগম (২৭)। তারা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত হবিবর রহমান তার নাতনি মোছাঃ তানজিনা খাতুনকে ব্যবহার করে শান্ত মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তোলার পাঁয়তারা করেন। শান্ত ও তার পরিবার বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্তরা তাকে জোর করে বিয়েতে বাধ্য করতে চায়। শান্ত বিয়েতে রাজি না হওয়ায়, তার ও তার পরিবারের ওপর প্রাণনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়।

এছাড়া, অভিযোগে বলা হয়—যদি শান্ত মিয়া তানজিনাকে বিয়ে না করেন, তবে তার ওপর ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বাক্ষী হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সাতজন গণ্যমান্য ব্যক্তির। তারা হলেন—মোঃ বাদশা মিয়া, জুরান আলী, এমদাদুল হক, আলম মিয়া, রঞ্জু মিয়া, রহিম বাদশা ও চান মিয়া। তারা সকলেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শান্ত মিয়াকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আয়নাল হক জানান, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ধর্ষণের মিথ্যা মামলা, প্রাণনাশের হুমকিতে তরুণের পরিবার

আপডেট সময় : ০২:২৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ মে ২০২৫

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের ডাকাতিয়ার চর এলাকায় এক তরুণের বিরুদ্ধে মিথ্যা ধর্ষণ অভিযোগ আনার আশঙ্কায় স্থানীয়ভাবে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত তরুণ মোঃ শান্ত মিয়া (১৭) তার মামা মোঃ চান মিয়ার মাধ্যমে ফুলছড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে স্থানীয় একটি প্রতিপক্ষ চক্র পরিকল্পিতভাবে শান্ত মিয়া ও তার পরিবার কে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও হয়রানি করতে এই ধরনের চক্রান্তে জড়িয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—মোঃ হবিবর রহমান (৫৫), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩৫), মোঃ ছাইদুর রহমান (৩৪), মোঃ সাইফুল ইসলাম (২৮), মোঃ মমিন মিয়া (২২), মোছাঃ খাদিজা বেগম (২৩) ও মোছাঃ ময়না বেগম (২৭)। তারা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত হবিবর রহমান তার নাতনি মোছাঃ তানজিনা খাতুনকে ব্যবহার করে শান্ত মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মিথ্যা অভিযোগ তোলার পাঁয়তারা করেন। শান্ত ও তার পরিবার বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করলেও, অভিযুক্তরা তাকে জোর করে বিয়েতে বাধ্য করতে চায়। শান্ত বিয়েতে রাজি না হওয়ায়, তার ও তার পরিবারের ওপর প্রাণনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়।

এছাড়া, অভিযোগে বলা হয়—যদি শান্ত মিয়া তানজিনাকে বিয়ে না করেন, তবে তার ওপর ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বাক্ষী হিসেবে নাম উল্লেখ করা হয়েছে স্থানীয় সাতজন গণ্যমান্য ব্যক্তির। তারা হলেন—মোঃ বাদশা মিয়া, জুরান আলী, এমদাদুল হক, আলম মিয়া, রঞ্জু মিয়া, রহিম বাদশা ও চান মিয়া। তারা সকলেই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শান্ত মিয়াকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আয়নাল হক জানান, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”