খাসির নাম সুলতান, মালিকের নামও সুলতান। অর্থাৎ সুলতানের সুলতান। সাদা হালকা লাল রঙ্গের শরীর। সুঠাম সুন্দর দেহ। এবার কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে নীলফামারীর সৈয়দপুরে নজর কেড়েছে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের এই সুলতান। যার দাম হাঁকা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। মূলত প্রতি বছরই ঈদুল আজহার আগমুহুর্তে নানা আকৃতি ও দামে আলোচনায় আসে বাহারি নামের গরু ও ছাগল। এবার সেই তালিকায় সৈয়দপুরে যুক্ত হয়েছে ‘সুলতান’ নামের এই খাসি।
সুলতান নামের ওই খাসির মালিক সৈয়দপুর গোলাহাট এলাকার তরুণ ছেলে তারও নাম সুলতান। এজন্য এটি সুলতানের সুলতান নামে শহরে পরিচিতি পেয়েছে। আর পরিচিতির কারনে কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতারা আসছেন প্রতিদিন এক নজর দেখতে এই সুলতানকে। চলছে দাম দরও।
সুলতানের মাংসের দোকান স্থানীয় সৈয়দপুর চিনি মসজিদ মোড়ে সুলতান নামের এই খাসিটিকে তোলা হলে একনজর দেখতে ভিড় করেছিলেন অনেকেই। বিশেষ করে কুরবানীর নিয়ত করা ক্রেতাদের নজরের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই সুলতান খাসিটি।
সুলতানের মালিক সুলতান জানান, দেশি ক্রস জাতের এই খাসিকে পাঁচ বছর খুব আদর যত্নে লালন পালন করেছি। বাড়ির মধ্যে বাড়ির লোকের মতই থাকে সুলতান। শখ করে নাম নিজের নামের নামেই নাম রাখি ‘সুলতান’। সুলতান বলে ডাক দিলেই সে সাড়া দেয়। খাসিটিকে আমি ভাত, খড়, ভুসি ও ঘাস খাওয়াই। মূলত কুরবানীর জন্যই প্রস্তুত করা। এর ওজান প্রায় ৬০-৭০ কেজি।
এখন কুরবানীর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত সুলতান। বিভিন্ন সময় বিভিন্নজন আসছেন দামদর করছেন। ৮০ হাজার রাখলেও দমদারের মাধ্যমে দাম নাগালে হলেই বিক্রি করা হবে বলে জানান তিনি।
খাসি দেখতে আসা ক্রেতা শহরের বাঁশবাড়ির ওয়াসিম জানান, আমি একটি ভালোমানের খাসি কুরবানির জন্য নিয়ত করেছি। হাটে বাজারে যাওয়া হয় না ব্যস্ততার কারনে এজন্য নাম শুনে এই সুলতানকে দেখতে আসছি। খাসিটি বড় আর খুব সন্দর। তবে দাম বেশি মনে হচ্ছে। তবুও দামদর করছি। পোষাইলে নিবো।