ঈশ্বরদী উপজেলা ক্রাইম রিপোর্টার লাবলু বিশ্বাস।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফেসবুকে ঘোষিত 'বুলডোজার মিছিল' কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ৫ ফেব্রুয়ারি বুধবার রাত ৮ ঘটিকায় ছাত্র-জনতা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমান এর বাড়ির ভেতরে ঢুকে যায় এবং ভাঙচুর শুরু করে।
এসময় বাইরে প্রায় ৫০০-৭০০ লোক 'ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, শেখ হাসিনার ফাঁসি চাই', 'সারা বাংলায় খবর দে, মুজিববাদের কবর দে'সহ বিভিন্ন ধরনের শ্লোগান দিতে থাকেন। ঠিক সেই মুহর্তে সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় শেখ হাসিনার নামে বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিভিন্ন স্থপনা এবং আওয়ামীলীগের জেলা-উপজেলায় বিভিন্ন অফিস ভাঙা হয়।
আর তারই সুযোগে ঈশ্বরদীতে কতিপয় দূবৃত্তরা ঈশ্বরদী আলহাজ্ব মোড়ে বিজয় স্তম্ভের পাশে নির্মিত ঘৃণা স্তম্ভটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। তাদের মধ্যে কোন একজন মোবাইলে সেই ভাঙার ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে আপলোড করেন।
ফেসবুকে আপলোড করা ভিডিওতে দেখা যায় ১০-১২ জন যুবক হাতুড়ি, হেমারসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ঘৃণা স্তন্তটি ভেঙে গুড়িয়ে দিতে। দীর্ঘ রাত ভর এই ঘৃণা স্তম্ভটি ভাঙার কাজ চলেছে ভিডিও দেখে তা ধারনা করা হয়।
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবির কুমার দাসের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি আলোচনা করে ঘৃণা স্তন্তটি পুনরায় তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় এবং উপজেলা প্রসাশনকে বলে তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেটি পুনরায় তৈরি করা হবে।