ফারুক আহমেদ সলঙ্গা সিরাজগঞ্জ থেকেঃ
সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জ উপজেলা সলঙ্গা ৩নং ধুবিল ইউনিয়নে বেতুয়া গ্রামে ও নইপাড়া গ্রামের ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া সরকারি রাস্তার দুই পাশের মাটি কেটে নেওয়ায় রাস্তাটা ভূমিগ্রাসিদের জমির সাথে প্রায় মিশে যাওয়ায় ১২ ফুট চান্দি থেকে ৩ থেকে ৪ ফুট চান্দি হওয়ায় আবার কোথাও কোথাও খানাখন্দকে ভরপুর হওয়ায় ভ্যানরিক্সতো চলাচল দূরে কথা পথচারীদের পায়ে হাটা টাও নিদারুণ কষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি রেকর্ডভুক্ত রাস্তাটা আজ মানচিত্র থেকে হেরে যেতে বসেছে দেখার কেহ নেই।
জানা যায়, নইপাড়া ও বেতুয়া মৌজায় প্রায় ১ এক কিলিমিটার রাস্তা নইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হতে বেতুয়া দিয়ার পশ্চিম পাড়া পর্যন্ত। রাস্তার দুই ধারের প্রভাবশালী, ভূমিগ্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে যার যার মত করে জমির গাঁ ঘেসে জন সাধারণদের চলাচলের জন্য সরকারিভাবে রেকর্ডভুক্ত রাস্তা হওয়ার পরও রাস্তার দুই পাশ থেকে মাটি কেটে জবর দখল করে খাওয়া বা নিজ জমি বানিয়ে নেওয়ায় খুবদ্ধ স্থানীয় এলাকা বাসিরা। ভূমিদস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদেরকে এলাকার কেউ কিছু বলার সাহস পায় না। আমশড়া, নাইপাড়া দুটি গ্রাম মিলে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঐ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে হয় জাতীয় নির্বাচনের ভোট। নইপাড়া গ্রামে রয়েছে একটি হাফিজিয়া কাওমিয়া মাদ্রাসা, একটি কবরস্থান। বেতুয়া গ্রামে রয়েছে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসা, একটি সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয় সেখানেও আরো রয়েছে জাতীয় নির্বাচনের ভোট কেন্দ্র। পাশের গ্রাম রৌহদাহ রয়েছে, একটি
সরকারি প্রাইমারী স্কুল, একটি হাইস্কুল একটি হাট ও একটি হাফিজিয়া কাওমিয়া মাদ্রাসা, একটি কবরস্থান। তাছাড়া চুনিয়াখাড়া গ্রামে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি হাফিজিয়া কাওমিয়া মাদ্রাসা ও একটি কবরস্থান। নইপাড়া,বেতুয়া, চুনিয়াখাড়া এই তিনটি গ্রামের কমলমতি শিক্ষার্থী ও জনসাধারনের চলাচলে এক মাত্র রাস্তা হওয়ায় তাদের নিদারুন কষ্ট পোহাতে হচ্ছে । এমনকি রাস্তাটা বর্তমানে এখন জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে । যে সামান্ন টুকু রাস্তার চান্দি আছে তাও আবার ভাঙ্গা ও খানাখন্দকে ভরপুর হয়ে সাপ বিচ্ছুর বাসগৃহে পরিনিত হয়ে পড়েছে। এতো রাস্তা নয় সে যেন মরণফাঁদ । এক কিলিমিটার রাস্তাটা চলাচলের অনুপযোগীী হয়ে পড়ায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে, আমশড়া ও রৌহদাহ হাটেসহ জাতীয় নির্বাচনের সময় এই বিভিন্ন বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে যেতে এমনকি মৃত্যু ব্যক্তিদের কবরস্থানে নিয়ে যেতে এই তিন গ্রামের লোকজনের বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে নিয়ে যেতে রীতিমতো কষ্ট ভোগ করতে হয়। এ বিষয়ে কয়েকজন জবর দখলকারীদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন,আমাদের জমির পাশের আইল কেটেছি সরকারি রাস্তাতো কাটি নাই। সরকার যদি পাই তখন না হয় ছেড়ে দেব। ধুবিল ইউনিয়নেেে নায়াবের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, রাস্তা কাটার বিষয়টি আমি জানিনা। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা
স্থানীয় একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক গ্রাম প্রধান ও সাধারণ লোকজন জানান, আমরা জানি জনসাধরণের চলাচলে সরকারি রাস্তা ব্যক্তিগত জমির আয়তন এইভাবেই বাড়িয়ে থাকে তারা এই এক কিলোমিটার রাস্তার পাশের জমির মালিকেরা প্রভাবশালী তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কিছু বললে আমাদের যে কোন সময় হয়রানি করবে। তাই রাস্তা কাটার ঘটনাটি সত্য হলেও বর্তমানে মুখ খুলতে পারছি না। তবে সরকারি কোন কর্মকর্তা রাস্তাটি মাফজোপ করতে আসলে মুখলবো।
এলকাবাসির প্রাণির দাবি রাস্তা যেন মাফজোপ দিয়ে মাটি ফেলে সাধারণ মানুষের চলাচলসহ মৃত ব্যক্তিদের কবরস্থানে নিয়ে যেতে সুবিধা হয়।
ডাক্তার রাজু আহমেদ রুবেল এই প্রতিনিধি জানান, ৪৬ বছর আগে ধুবিল ইউনিয়নের প্রেয়াত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাঙাল ফকির এই রাস্তায়া মাটি দিয়ে দিয়ে ছিলেন। এর পর থেকে কত মেম্বার, চেয়ারম্যান এলো আর গেলো এই রাস্তার কাপলে এক মুটো মাটি পরেনি দুঃখ করে এই কথা গুলি বলেন তিনি।
ফারুক আহমেদ
সলঙ্গা /সিরাজগঞ্জ
তাং- ০৫/০৩/২৫ইং
০১৭৮৯৪৮৪২৪০