ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি জমিতে বিএনপি নেতার অবৈধ ঘর গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন বরগুনা’র বেতাগী’তে সনাতন ধর্মালম্বীদের রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত বরগুনা জেলায় শীর্ষে বেতাগী মডেল স.প্রা.বি  টেকনাফে আকস্মিক বন্যা; ৩৮০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি সহায়তা শুরু যুব নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সচেতন প্রজন্ম গড়ার লক্ষ্যে বেতাগীতে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক টিকটকে অশালীন কনটেন্ট ও অনলাইন হয়রানির অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উদ্বেগ বেতাগীতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কুরবানির গরু দান, দুস্থদের মাঝে মাংস বিতরণ ঈদের নামাজ শেষ না হতে হতেই হামলা – আহত ৬ বরগুনায় তিন দিনব্যাপী প্রপোজাল রাইটিং প্রশিক্ষণের উদ্বোধন বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন

জয়পুরহাটে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি বন্ধুদের মানববন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
akashbanglanews24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ আল আমিন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি জয়পুরহাটে মাহমুদুল হাসান পিপাস (২৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তাদের বন্ধুরা।

 

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা শহরের জিরো পয়েন্টে আয়োজিত এক সমাবেশে তারা এই দাবি করেন।

 

এর আগে তারা শহরের শহীদ ডা. আবুল কাসেম ময়দান থেকে ‘পিপাসের খুনিদের ফাঁসি চাই’ দাবিতে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি বাটারমোড় হয়ে থানা এলাকা ঘুরে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ।

 

মাহমুদুল হাসান পিপাস জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর গ্রামের মৃত মাহবুবুর রহমানের ছেলে। তিনি জেলা শহরের ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করতেন। একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করতেন পিপাস। গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সদর উপজেলার সতিঘাটা নামক এলাকার একটি নির্জন কবরস্থান থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

‘পিপাসের খুনিদের ফাঁসি চাই’ দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন, নিহত পিপাসের বন্ধু তৌহিদুল ইসলাম তপু, হাসানুল হাসান, আসিফ জিয়ন, পিপাসের বড় ভাই মেসবাহুর রহমান প্রিন্স প্রমুখ।

 

তারা বলেন, বাসা থেকে নিখোঁজের পর পিপাসকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাওয়া গেছে। চিকিৎসা করাতে হবে দাবি করে ১৮ হাজার টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু এটি প্রতারণা ছিল। তার সর্বশেষ লোকেশন সদরের ধারকি এলাকায় পাওয়া গেছে। কিন্তু কোন ভাবেই তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। শেষে আমরা তার ঝুলন্ত মরদেহ পেলাম। মরদেহ একটি নির্জন এলাকার কবরস্থানের ইউক্যালিপটাস গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। আমরা এটিকে আত্নহত্যা বলে মনে করি না। এটা হত্যাকাণ্ড, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ফাঁসি চাই।

 

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যু সঠিক কারণ জানা যাবে। প্রতিবেদনে যদি ‘তাকে মারধর করা হয়েছে’ এরকম কিছু পাওয়া গেলে মামলা হবে।

 

খোলা কাগজ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জয়পুরহাটে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি বন্ধুদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১০:২৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মোঃ আল আমিন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি জয়পুরহাটে মাহমুদুল হাসান পিপাস (২৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তাদের বন্ধুরা।

 

মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা শহরের জিরো পয়েন্টে আয়োজিত এক সমাবেশে তারা এই দাবি করেন।

 

এর আগে তারা শহরের শহীদ ডা. আবুল কাসেম ময়দান থেকে ‘পিপাসের খুনিদের ফাঁসি চাই’ দাবিতে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি বাটারমোড় হয়ে থানা এলাকা ঘুরে জিরো পয়েন্টে এসে শেষ।

 

মাহমুদুল হাসান পিপাস জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর গ্রামের মৃত মাহবুবুর রহমানের ছেলে। তিনি জেলা শহরের ধানমন্ডি এলাকায় বসবাস করতেন। একটি ওষুধ কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে চাকরি করতেন পিপাস। গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সদর উপজেলার সতিঘাটা নামক এলাকার একটি নির্জন কবরস্থান থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

‘পিপাসের খুনিদের ফাঁসি চাই’ দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন, নিহত পিপাসের বন্ধু তৌহিদুল ইসলাম তপু, হাসানুল হাসান, আসিফ জিয়ন, পিপাসের বড় ভাই মেসবাহুর রহমান প্রিন্স প্রমুখ।

 

তারা বলেন, বাসা থেকে নিখোঁজের পর পিপাসকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাওয়া গেছে। চিকিৎসা করাতে হবে দাবি করে ১৮ হাজার টাকা নেওয়া হয়। কিন্তু এটি প্রতারণা ছিল। তার সর্বশেষ লোকেশন সদরের ধারকি এলাকায় পাওয়া গেছে। কিন্তু কোন ভাবেই তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। শেষে আমরা তার ঝুলন্ত মরদেহ পেলাম। মরদেহ একটি নির্জন এলাকার কবরস্থানের ইউক্যালিপটাস গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। আমরা এটিকে আত্নহত্যা বলে মনে করি না। এটা হত্যাকাণ্ড, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের ফাঁসি চাই।

 

জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যু সঠিক কারণ জানা যাবে। প্রতিবেদনে যদি ‘তাকে মারধর করা হয়েছে’ এরকম কিছু পাওয়া গেলে মামলা হবে।

 

খোলা কাগজ