নরসিংদী সংবাদদাতা। নরসিংদীর সদর উপজেলার শীলমান্দি এলাকার আব্দুল লতিফ মিয়ার মেয়ে মোঃ বাদল মিয়ার স্ত্রী মোসাঃ ফেরদৌসি বেগমের উপর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১১/০১/২০২৫ তারিখে একই এলাকার মতি মিয়ার ছেলে সালাম গং সন্ত্রাসী হামালার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানাযায় যে গত ১১/০১/২০২৫ তারিখ সকাল আনুঃ ০৮:০০ ঘটিকার সময় নরসিংদী মডেল থানাধীন মধ্য শিলমান্দীর এলাকার ফেরদৌসীর নিজ বাড়ির ডান পাশে দেওয়াল তৈরি করারকে কেন্দ্র করিয়া মতি মিয়ার ছেলে সালাম @ সেলাম (৫৫), ২। মোঃ ইসমাইল (৩৫), ৩। জহরুল ইসলাম (৩০), ৪। মোঃ নাসির হোসেন (২৮), ৫। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৫), ৬। নাসু মিয়া (২২), সর্ব পিতা- সালাম @ সেলাম, ৭। মোঃ মাসদুল ইসলাম(৪০), পিতা-মতি মিয়া,অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। গালিগালাজ করার কারণ জিজ্ঞাসা করিলে, সালাম গংরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাহাদের সাথে থাকা ধারালো দা, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড, লাঠি নিয়া। ফেরদৌসীর বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া এলোপাথারি ভাবে তাহাকে মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে। পরবর্তীতে সন্ত্রাসীরা ফেরদৌসীর ঘরের ভিতর প্রবেশ করিয়া আসবাবপত্র ভাংচুর করিয়া আনুমানিক ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ক্ষতি সাধন করে। তাছাড়াও রুমে আলমারীর ভিতরে রাখা ও ০১টি গলার স্বর্ণের চেইন, ওজন অনুমান ১০ আনা, ০২টি স্বর্ণের আংটি ওজন অনুমান ৮ আনা, ০২টি কানের স্বর্ণের দুল, ওজন অনুমান ০১ ভরি ৪ আনা, সর্বমোট স্বর্ণের মূল্য অনুমান- ২,৪০,০০০/-(দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা নিয়া নেয়। যাওয়ার পথে ফেরদৌসীর তৈরীকৃত বাড়ীর দেওয়াল ভাংচুর করিয়া আনুমানিক ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধন করে এবং চলে যাওয়ার পথে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করিয়া ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। ফেরদৌসীকে অসুস্থ অবস্থায় নরসিংদী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। উক্ত বিষয়ে ফেরদৌসী ও তার প্রতিবেশীদের কাছ থেকে গণমাধ্যম কর্মীরা ঘটনা বিষয়ে জানতে গেলে সালাম নোংরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ততবেশীদের নাম উল্লেখ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন, এবং ফেরদৌসী ও তার বৃদ্ধ মাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধাম কি দিয়ে আসছেন। ফেরদৌসী বলেন আমি আমার বৃদ্ধ মাকে নিয়ে আতংকের মধ্যে বসবাস করিতেছি। যেকোন সময় আমার ও আমার মায়ের বর ধরনের ক্ষতি করিতে পারে। এবিষয়ে আমি নরসিংদী সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি,আমি আপনাদের সাংবাদিকদের মাধ্যমে, নরসিংদী জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রসাষকের নিকট বিনীত ভাবে আবেদন জানাবো যে সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা শেখেরচর পুলিশ ফাঁড়ির সাব-ইন্সপেক্টর এসআই অজিত বলেন যে জমি সংক্রান্ত ব্যাপারে এটা আদালতেই সমাধান হওয়া উচিত আমি আদালতে পজিগেশন দিব