জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম TikTok-কে কেন্দ্র করে অশালীন কনটেন্ট তৈরি, নারীদের দিয়ে বিতর্কিত নৃত্য পরিবেশন এবং অনলাইন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যাকে স্থানীয়ভাবে “শুভ” নামে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও সামাজিকভাবে সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি ডান্স গ্রুপ পরিচালনা করে আসছেন, যেখানে তরুণীদের যুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের নৃত্য ভিডিও তৈরি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব ভিডিওর কিছু অংশ অশালীন ও সামাজিকভাবে আপত্তিকর, যা স্থানীয় সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে মনে করছেন অনেকে।
এছাড়াও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কেউ যদি এসব কার্যক্রমের বিরোধিতা করেন বা প্রতিবাদ জানান, তাহলে তাদের লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কনটেন্ট তৈরি করা হয়। বিশেষ করে, ভুক্তভোগীদের ছবি সংগ্রহ করে তা বিকৃত বা এডিট করে TikTok-এ ছড়িয়ে দেওয়া এবং গালিগালাজমূলক পোস্ট করার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীদের মধ্যে কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, তারা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। তবে তারা দ্রুত এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও ছবি বিকৃত করে প্রকাশ করা, অপমানজনক কনটেন্ট ছড়ানো বা হুমকি প্রদান করা দেশের প্রচলিত আইনে সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। প্রমাণ সাপেক্ষে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সচেতন মহল মনে করছে, প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা এবং অন্যের ব্যক্তিগত সম্মান রক্ষা করা সবার নৈতিক