বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি ;
বরগুনার বেতাগী পৌরসভা ৩নং ওয়ার্ডে আল ফালাহ জামে মসজিদে ঈদুল আজহার নামাজ শেষ না হতে হতেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
২৮ মে, (বৃহস্পতিবার) সকাল আনুমানিক ৮:০০ ঘটিকার দিকে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে আল-ফালাহ জামে মসজিদের দক্ষিণ পাশে দেশয় অস্ত্র সহ লাঠিশোটা নিয়ে হামলা করে এতে ৬ জন আহত হয়।
আহতরা হলো- মুন্নী আক্তার (৪০) পিতা: আব্দুল খালেক, মো: শিহাব- (১৮) পিতা: শহিদুল ইসলাম, রাকিব হাসান মুন্না (২৬) পিতা: মো: জলিলুর রহমান হাওলাদার, মো: ইমরান হোসেন(২০), পিতা: মো: জলিলুর রহমান হাওলাদার, মো: নাহিয়ান (২৬) পিতা: রুহুল আমিন পান্না, মো: সালমান (১৮) পিতা: মো: সিদ্দিকুর রহমান, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।
এতে, মো: জলিলুর রহমান হাওলাদার বাদী হতে বেতাগী থানায় অভিযোগ পত্র দায়ের করে ।
অভিযুক্তরা হলো- ১/ রাকিব খান (১৯) পিতা: খায়রুল ইসলাম খান, ২/ খায়রুল ইসলাম খান (৬০) পিতা: মৃত: আ: হাকিম খান ৩/ মোসা: তানজিলা বেগম,(৪২) স্বামী: নজরুল ইসলাম খান, ৪/ নাজমুল খান (২০), পিতা: নজরুল ইসলাম খান ৫/ নজরুল ইসলাম খান (৫৮) পিতা: মৃত: আ: হাকিম খান ৬/ শামীমা নাসরিন বেবি (৪০) স্বামী: খায়রুল ইসলাম খান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, এতিমখানার হুজুরের নিকট ফুটবল চাওয়াকে কেন্দ্র করে, হুজুরের সাথে অশোভনীয় আচরণ, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিয়ে আসে। এতে মো: ইমরান হোসেন প্রতিবাদ করায় ইহাকে কেন্দ্র করে তার সাথে কথা কাটাকাটি হওয়ায় মো: ইমরান হোসেন কে শাশাইয়া আসে এবং সময়সুযোগ মতো দেখিয়ে দেবার হুমকি দেয়, সেই থেকে ক্ষতি সাধনের লক্ষ্য বাড়ির ষড়যন্ত্র করতে থাকে ও সুযোগ খুজতে থাকে।
এমতাবস্থায়, ২৮ মে, সকালে আল ফালাহ জামে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করে ফেরার পথে অভিযুক্তরা হামলা শুরু করে, এমন সময় শিহাব,ইমরানের উপর চড়াও হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে লাঠি দিয়ে পিটায় ও কিল ঘুসি মারার এক পর্যয়ে তারা চিৎকার করে। চিৎকার শুনিয়া মোসা: মুন্নী, নাহিয়ান, সালমান এগিয়ে আসলে তাদের উপরও অনুরূপ ভাবে হামলা করে, ইমরান'কে খুন উদ্দেশ্য মাথা বরাবর লাঠি দিয়ে বারি দিলে মোসা: মুন্নী তা প্রতিহত করেতে গেলে মোসা: মুন্নী'র ডান হাতের কনুইয়ের উপর লাঠির বারি পড়িয়া গুরুতর আহত হয় সাথে আহত হয় নাহিয়ান এবং সালমান ও।
পরে ঘটনা স্থলে, পুলিশ এসে আহতদের উদ্ধার করে এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়, এবং আহতদের স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকে ভর্তি করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১নং ও ৪নং অভিযুক্তরা কিশোর গ্যাংয়ের সাথে ও মাদকের সাথে সম্পৃক্ত এবং অন্যরা এলাকায় প্রভাববিস্তার করার লক্ষ্য এমন নৃশংস ঘটনা ঘটায়।
এতে, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এবং পুলিশ এর তদন্তে করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানিয়েছে।