সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ১১০ (বরগুনা-২) এ
অংশ নেওয়া ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বরগুনার
রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ফলাফল সিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম জানান, জাতীয় সংসদ
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রার্থীদের ট্রেজারি চালান, তফসিলি ব্যাংকের
পে-অর্ডার অথবা পোস্টাল অর্ডারের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা জামানত হিসেবে
জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থী তার আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের ন্যূনতম সাড়ে ১২
শতাংশ ভোট পেলে জামানত ফেরত পান, অন্যথায় তা বাজেয়াপ্ত হয়ে রাষ্ট্রীয়
কোষাগারে জমা হয়।
বরগুনা-২ (বামনা-বেতাগী-পাথরঘাটা) নিয়ে গঠিত সংসদীয় আসন। এই আসনে নয়জন
প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ১২১টি ভোট পড়েছে।
জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৪ হাজার ৭৬৫ ভোট। কিন্ত জাতীয় পার্টির
প্রার্থী আব্দুল লতিফ ফরাজী পান ১ হাজার ২৪৮ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি
(কাঁঠাল প্রতীক) মনোনীত মো. কামরুজ্জামান লিটন পান ১১৫ ভোট, ইসলামী
আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মিজানুর রহমান পান ১৬ হাজার ৪৬৩ ভোট, বাংলাদেশ
কংগ্রেসের মো. সাব্বির আহমেদ পান ২১৯ ভোট, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো.
সোলায়মান পান ৯৫ ভোট, এনডিএমের সৈয়দ মো. নাজেস আফরোজ পান ২৯৪ ভোট এবং
স্বতন্ত্র প্রার্থী রাশেদ উদ জামান পান ২৯৮ ভোট। আইন অনুযায়ী এ সাতজন
প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।