মোঃ হাফিজুর রহমান বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি::
বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার।নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে বিলবোর্ড, ফেস্টুন, ব্যানারসহ আনুষঙ্গিক উপকরণ সরিয়ে ফকিরহাট জামায়াতে ইসলামীর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার সন্ধ্যায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে সারা দেশের ন্যায় বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তার প্রার্থীদের বিলবোর্ড,ব্যানার, ফেস্টুন, ফটো কার্ড প্রভৃতি সরিয়ে ব্যাতিক্রমী নজির স্থাপন করেছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সকল রাজনৈতিক দলের প্রচারণা সামগ্রী সরিয়ে ফেলতে হয় এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এসব নির্বাচনী প্রচারণা সমগ্রী জনবহুল স্থান সমূহে স্থাপন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
আইনের এ শাসন কায়েম করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়। আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণে গাফেলতির কারতে কখনো কখনো স্থানীয় প্রশাসনকে রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত কায়েম, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী কে কারণ দর্শানোর নোটিশ ও প্রদান করতে দেখা যায়। এবারো তার ব্যতিক্রম ছিলোনা।তবে আইনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মাননা প্রদর্শন করে জামায়াতের বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন আসন সমুহের নেতৃবৃন্দকে এবার নতুন নজির স্থাপন করতে দেখা যায়।
জামায়াত সংশ্লিষ্ট একাধিক বিশ্বাস যোগ্য সূত্র এ প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বাগেরহাট জেলার নেতৃবৃন্দ স্থানীয় বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দকে নির্দেশনা দেন যে, তফসিল ঘোষণার পূর্বেই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগেই যেন তারা দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর বিলবোর্ড, ফেস্টুন, ব্যানার, ফটো কার্ড প্রভৃতি সরিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। কথা মতো,চেইন অব কমান্ড হিসেবে জামায়াত কর্মীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।ফলে,টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে আইনের প্রতি জামায়াতের এ শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং জনতার প্রশংসায় ভাসছে এখন ফকিরহাট জামায়াত।